বাঁধনছেড়া বর্ষণ - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।
ভেজা মাটির গন্ধের মন মাতাল হাওয়ায় আবার তোমাকে অনুভব;
ঘন কালো মেঘের বাতাবরণে ঢাকা গ্রীষ্মের প্রকৃতি
মুহুর্মুহু চমকিত হয় দুর্দান্ত এক আগমনী অভিষেকে।
অগ্নিঝরা প্রতীক্ষার কষ্টের প্রহরগুলোকে বিদায়ী বার্তা ছুঁড়ে দিতে অপার ধারায় উদ্ভাসিত তুমি এক দেবদূত...
প্রতিটি ধারার মাঝে মিশে থাকা তোমার অস্তিত্বকে মেখে নিই
তৃষ্ণার্তের সুতীব্র পিপাসায়।
উদার দাক্ষিণ্যে ধন্য হয়ে ওঠে পথ প্রান্তর,
জয়বার্তা শুনতে পাই তোমার অনবদ্য কর্মকান্ডের ।
মুগ্ধতার রেশ রেখে যাই... জানালার আর্শিতে ফুটে ওঠা বিন্দু বিন্দু স্বেদকণিকায়।
তরুণীর এলোমেলো একরাশ খোলা চুলের মায়াজালে ডুবে থাকে তোমার একান্ত সৃষ্টির অতৃপ্ত নিদর্শন ।
কর্দমাক্ত কিশোরের হাতে দাবদাহের মুক্তি তুলে দিয়ে
পরিপূর্ণ তুমি মেতে ওঠো বর্ষণের উদ্দাম হোলি উৎসবে।
নিষেধের রক্তচক্ষুকে ফাঁকি দিয়ে,
ছাদের এককোণে চুপি চুপি স্নাত হওয়া দুরন্ত কৈশোরকে,
মাতিয়ে দিয়ে যাও তুমি দ্বিধাহীন প্রশ্রয়ে।
তোমার আগমনী সুরেই বেজে ওঠে অশ্রুত ঝঙ্কার
বাঁধনছেঁড়ার দুঃসাহসী অনুভবের...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন