পোস্টগুলি

মে, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আজকাল সবার ধৈর্য বড় কম

ছবি
জীবনের গতি বাড়ছে , এবং এর সাথে আমাদের সব কিছু চাওয়ার মানসিকতা, এবং এখনই চাই। সবকিছুর জন্য আমাদের অবিলম্বে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন৷ আমরা আর দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কে ভাবতে আগ্রহী নই৷ এই তাড়াহুড়ো কেন? এটা কি "দ্রুত" হওয়ার জন্য একটি পুরস্কার? তাৎক্ষনিক পরিতৃপ্তির জন্য একটি তীব্র প্রয়োজন আমাদের সংস্কৃতিতে এমবেড করা হয়েছে যেটি ভক্তিমূলকভাবে একটি "টাইম ইজ মানি" বিশ্বাসকে অনুসরণ করে। ধীর গতিতে চলাটা সময় নষ্ট করার সমতুল্য। তাই মানুষ ধৈর্যের মাত্রা কম রাখে। কিন্তু আবার কম ধৈর্য মানে কম অধ্যবসায়। অধ্যবসায়ের অভাব একজনকে সর্বদা অস্থির করে তুলবে। সবাই অবিলম্বে জিনিস পেতে চায়. কারো ধৈর্য নেই। ব্যর্থতাকে সবাই ভয় পায়। ব্যর্থতার প্রধান কারণ ধৈর্যের অভাব। কেউ সময় নষ্ট করতে চায় না। প্রত্যেকেই কিছুতে সময় দিতে এবং চেষ্টা করতে ভয় পায়। মানুষ মনে করে যে যা ঘটবে, তা হওয়া উচিত, কোন সময় অপচয় না করেই। তারা ভুলে যায় যে ঘটনা ঘটতে সময় লাগে।আজকেই একটা খবর আছে যে উত্তর কোরিয়ার প্রশাসনিক প্রধান মি. কিম ঠিক করেছিলেন, চীনের উপর নজরদারি চালানোর জন্য উনি তিনটি উপগ্রহ আকাশে ছাড়বেন। কিন্ত...

নজরুল স্মরণে

ছবি
আমাদের নজরুল ইসলাম পরিচিত একজন কবি হিসাবে,কিন্তু তিনি শুধুই একজন কবি নন। তিনি ছিলেন একজন সংগ্রামী, বিদ্রোহী সত্তা । কবিতাকে তিনি তার সংগ্রামের ও দ্রোহের বা প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে দেখতেন। তাঁর সেদিনের বিদ্রোহ ছিল পরাধীনতার বিপক্ষে, শোষণ, শাসন, অন্যায়ের বিপক্ষে, সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ আর জাতপাতের বিরুদ্ধে। সমাজের শ্রেণী শোষণের বিরুদ্ধে তো বটেই। কিন্তু নারী পুরুষ অসাম্যও তাঁর দৃষ্টি এড়ায়নি। এগুলির বিরুদ্ধে লড়াইকে নজরুল তাঁর কবি জীবনের একেবারে প্রথম পর্ব থেকেই নিজস্ব অভিজ্ঞান করে তুলেছিলেন। সেকারণেই তিনি পরিচিত হয়ে যান বিদ্রোহী কবি হিসেবে। যে কবিতার সূত্রে তাঁর এ পরিচয় প্রাপ্তি, সেই বিখ্যাত লাইনগুলিকে আর একবার এই মুহূর্তে স্মরণ করা যাক – মহা-বিদ্রোহী রণ ক্লান্তআমি সেই দিন হব শান্ত,যবে উত্‍পীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না –অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না –বিদ্রোহী রণ ক্লান্তআমি সেই দিন হব শান্ত। দ্বিধাহীনভাবে নজরুল তাঁর কবি জীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে এখানে স্পষ্ট করে দিচ্ছেন তাঁর লেখালেখির উদ্দেশ্য।   নজরুলের কবিতা গান স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় খুব কাজে লেগেছিল, মানুষকে প্...

আমার ভোটাধিকার

ছবি
ভারতের গোটা দেশে এখন নির্বাচন চলছে, ভোট দেওয়ার যোগ্য সমস্ত ভারতীয় নাগরিকদের তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় সংবিধান একজন ব্যক্তির বর্ণ, ধর্ম, সামাজিক বা অর্থনৈতিক অবস্থা নির্বিশেষে 18 বছরের বেশি বয়সী সব ভারতীয় নাগরিকদের ভোট দেওয়ার অধিকার দিয়েছে । কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া এই অধিকার সর্বজনীনভাবে সমস্ত ভারতীয়কে দেওয়া হয়েছে। ভোটের অধিকারটি ভারতের সংবিধানের 326 অনুচ্ছেদের অধীনে উল্লেখ করা হয়েছে এবং দেশের সর্বোচ্চ আইন সংস্থা অনুসারে সংবিধানে উল্লিখিত কোনো আইন বা অধিকার, কোনো নির্দিষ্ট বিভাগের অধীনে নয় সাংবিধানিক আইন বা অধিকার হিসাবে পরিচিত। যেহেতু ভোটের অধিকারটি সংবিধানের অধীনে উল্লেখ করা হয়েছে এবং মৌলিক অধিকারের বিভাগের অধীনে নয়, তাই এটিকে সাংবিধানিক অধিকার বলা হয়।   একজন ভোটার হিসাবে, আপনি সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত কিছু অধিকার এবং সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী, যা ভোটারের অধিকার রক্ষা করে। এটি সেই শর্তগুলিও বর্ণনা করে যার অধীনে নাগরিকদের এই বিশেষাধিকার দেওয়া হয়। ভোট দেওয়া মৌলিক অধিকার নয়, তবে নাগরিকদের ...

ভোটদানের গুরুত্ব

ছবি
ভোটদানের গুরুত্ব প্রবন্ধ একটি নিবন্ধ যা ভোটদান এবং এর সচেতনতামূলক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করে। এটি ভোটদান সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে এবং কীভাবে একজন দায়িত্বশীল ভোটার হতে হয়। অনেক লোক ভোট দিতে চায়, কিন্তু অনেকেই এর প্রয়োজনীয়তা এবং কীভাবে ভোট দিতে হয় সে সম্পর্কে সচেতন নয়। এখানেই ভোট সচেতনতা আলোচনায় আসে। ভোট সচেতনতার ধারণা হল মানুষকে ভোটের গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করা। ভোটাররা তাদের সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। ভোটদান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নাগরিকদের তাদের নেতাদের কাছ থেকে তারা কি চায় তা প্রকাশ করার এটি একটি পদ্ধতি। এটি উন্নত শাসনের দিকে পরিচালিত করবে এবং সবাই যা চায় - একটি গণতন্ত্র যা স্বাধীন, সুষ্ঠু এবং প্রতিনিধিত্বশীল। ভোট নাগরিকদের তাদের সরকারে আরও জড়িত হতে এবং এটিকে দায়বদ্ধ রাখতে সহায়তা করে। ভোট দিতে, আপনাকে অবশ্যই নির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে হবে। ভোট দেওয়ার পাশাপাশি, বিশ্বজুড়ে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করে এমন কয়েকটি আইন রয়েছে।  ভোটের গুরুত্ব ভোট গণতন্ত্রের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, এবং এটি জনগণের জন্য একটি কণ্ঠস্বর থাকা প্রয়োজন। প...

গণতন্ত্রের প্রহরী কারা?

ছবি
অনেক দেশ গণতন্ত্রের মাত্র তিনটি স্তম্ভ বিবেচনা করে কিন্তু ভারতে আমাদের গণতন্ত্রের চারটি স্তম্ভ রয়েছে যা হল আইনসভা, নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ এবং মিডিয়া। উপরন্তু, এই স্তম্ভগুলি গণতান্ত্রিক নীতি বজায় রাখে এবং সরকারের মসৃণ কার্যকারিতা নিশ্চিত করে। আসুন এক এক করে এই চারটি স্তম্ভ অন্বেষণ করি।  আইনসভা ভারতের একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা রয়েছে যা দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত; লোকসভা এবং রাজ্যসভা ।​ লোকসভা হল লোকসভা এবং রাজ্যসভা হল রাজ্যগুলির কাউন্সিল। আইনটি সংসদ সদস্য এবং আইনসভার সদস্যদের দ্বারা গঠিত হয়। জনগণ এই সমস্ত সদস্যদের নির্বাচন করে এবং তাই তাদের বিষয়গুলির সরাসরি পর্যালোচনার অধীনে থাকে। তারা নতুন আইন প্রণয়ন করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যমান আইন সংশোধন করে।  উপরন্তু, ভারতীয় সংবিধান জননীতি গঠনের পক্ষে এবং তাই একটি ফেডারেল সরকার কাঠামোর বিধান রয়েছে ।   নির্বাহী: রাষ্ট্রপতি জাতীয় স্তরে কার্যনির্বাহীকে নেতৃত্ব দেন যেখানে, রাজ্য-স্তরের শাসনের  জন্য রাজ্যপালদের নিয়োগ করা হয় । প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীরা জাতীয় এবং রাজ্য স্তরে কার্যনির্বাহীর প্রকৃত ক্ষমতা প্...

স্বাধীনতার পূর্বে বাংলার দুর্গাপূজার ইতিহাস

ছবি
হিন্দু বাঙালির সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান  ও প্রিয় উৎসব দুর্গা পূজা।শারদীয়া দুর্গাপূজাকে ‘অকালবোধন’ বলা হয়। কালিকা পুরাণ ও বৃহদ্ধর্ম পুরাণ অনুসারে, রাম ও রাবণের যুদ্ধের সময় শরৎকালে দুর্গাকে পূজা করা হয়েছিল। হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে, শরৎকালে দেবতারা ঘুমিয়ে থাকেন। তাই এই সময়টি তাঁদের পূজা যথাযথ সময় নয়। তাই অকালের পূজা বলে এই পূজার নাম হয় ‘অকালবোধন’। এই দুই পুরাণ অনুসারে, রামকে সাহায্য করার জন্য ব্রহ্মা দুর্গার বোধন ও পূজা করেছিলেন। কৃত্তিবাস ওঝা তাঁর রামায়ণে লিখেছেন, রাম স্বয়ং দুর্গার বোধন ও পূজা করেছিলেন। তবে রামায়ণের প্রকৃত রচয়িতা বাল্মিকী মুনি রামায়ণে রামচন্দ্রকৃত দুর্গাপূজার কোনো কিছু উল্লেখ করেননি। উপরন্তু রামায়ণের অন্যান্য অনুবাদেও এর কোনো উল্লেখ পাওয়া যায় না। তবে এই প্রচলিত তথ্য অনুসারে স্মৃতিশাস্ত্রসমূহে শরৎকালে দুর্গাপূজার বিধান দেওয়া হয়েছে। হংস নারায়ণ ভট্টাচার্যের মতে, ‘অকালবোধন শরতে বৈদিক যজ্ঞের আধুনিক রূপায়ণ ছাড়া আর কিছুই না।’সনাতম ধর্মের যেকোনো পূজার ক্ষেত্রে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সংস্কৃত মন্ত্রগুলো। দুর্গাপূজার মন্ত্রগুলো সাধারণত শ্রী শ্রী চণ্ডি থেকে পাঠ করা হয়। ঢাক-ঢোল...

সামাজিক মাধ্যমের দেখনদারী

এই কথাটা মানতে হবে যে, নীরবই হোক বা সরব, সাম্প্রতিককালে সমাজমাধ্যমের প্রসার বৈপ্লবিক বললে একটুও অত্যুক্তি হবে না। এর প্রভাব শুধুই এ দেশ নয়,বিশ্বব্যাপী। ডেটারিপোর্টাল সংস্থার সর্বশেষ গ্লোবাল ওভারভিউ রিপোর্ট (২০২২) থেকে জানা যাচ্ছে যে, সারা পৃথিবীতে সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৪৬০ কোটি, যেখানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যা আনুমানিক ৮০০ কোটি। অর্থাৎ পৃথিবীর প্রায় ৫৮% মানুষ এখন নিয়মিত সমাজমাধ্যম ব্যবহার করেন। শুধু তাই নয়, এই ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিপুল হারে বাড়ছে। যেমন, গত এক দশকেই তা তিনগুণ বেড়েছে। সমাজমাধ্যমের প্রধান যে-মঞ্চগুলো, তা ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনুযায়ী সাজালে এরকম দাঁড়াচ্ছে : ফেসবুক, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, এবং মেসেঞ্জার। এ ছাড়াও জনপ্রিয় মঞ্চগুলোর তালিকায় আছে পিন্টারেস্ট, টুইটার এবং লিঙ্কড-ইন। ভারতের ক্ষেত্রে সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৪৬.৭ কোটি, অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। এক নজরে কম মনে হলেও, ভারতে জনসংখ্যার একটা বড় অংশের মধ্যে দারিদ্র ও নিরক্ষরতার কথা ভাবলে বা এই মাধ্যমের জন্যে যে যে পরিকাঠামো আবশ্যক তার গ্রামাঞ্চলে সীমিত বিস্তারের পরিপ্রেক্ষিতে...

অধিকার কাকে বলে?

সাধারণ অর্থে মানুষের ইচ্ছানুযায়ী কিছু করার ক্ষমতাকে অধিকার বলা হয়। কিন্তু অধিকারের এই অর্থ সন্তোষজনক ও গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ অধিকার ও দৈহিক শক্তি কখনও সমার্থক হতে পারে না। তাই পৌরনীতি ও সুশাসনে ‘অধিকার’ শব্দটি এক বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। অধিকারের সত্যিকার ও গ্রহণযোগ্য অর্থ এই যে, এটি মানুষের ইচ্ছানুযায়ী কিছু করার ক্ষমতা যা সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত হয়। সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিই অধিকারের মূল বিষয়। এজন্যই অধিকার বলতে সীমিত ক্ষমতা বোঝায় এবং একজনের অধিকার অন্যের কর্তব্যের ইঙ্গিত দান করে। রাষ্ট্র সামাজিক কল্যাণের পরিবেশ সৃষ্টি ও সংরক্ষণ করে। অধিকার ভোগের মধ্য দিয়েই ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের বিকাশ সাধন সম্ভব। তবে অধিকারসমূহ এমনভাবে ভোগ করতে হয় যাতে অপরের অধিকার কোনোরূপে ক্ষুণ্ণ না হয়। অধিকারগুলি আইনগত , সামাজিক, বা নৈতিক নীতির স্বাধীনতা বা দাবী; অর্থাৎ, আইনি আইন, সামাজিক সম্মেলন, বা নৈতিক তত্ত্ব অনুসারে, মানুষের অধিকার বা মানুষের কাছে ঋণী হওয়া সম্পর্কে মৌলিক আদর্শ নিয়মগুলি। আইন এবং নীতিশাস্ত্র , বিশেষত ন্যায়বিচার এবং ডিঅন্টোলজি তত্ত্বের মতো এই শৃঙ্খলাগুলিতে অধিকার অপরিহার্য। সভ্যতাগুলি প্রায়শই সভ...

ওরা সত্যিই কি ভালো আছে?

ওরা কি সত্যিই ভালো আছে? যে হাতগুলো আমাদের নরম হাত ধরে চলতে শেখাল, যে নিরক্ষর হাতগুলো আমাদের অক্ষরজ্ঞানে জ্ঞানী করল, যে কর্মব্যস্ত হাতগুলো থেকে আমাদের মুখে অন্ন তুলে দিল, তারা সত্যিই কি ভালো আছে? আমাদের ব্যস্ত জীবনে ওই হাতগুলোর খোঁজ কি রাখি? সেই হাতগুলো এখন জরাগ্রস্ত অক্ষম,এখন নিঃশেষিত শক্তি, ওদের প্রাণ শক্তিও শেষের পথে। আমরা কি একবারও সেটা বোঝার বিন্দুমাত্র চেষ্টা করেছি? এই ব্যস্ত ছুটে চলার যুগে আমরা কি একবারও ওই অকেজো হাতের উপর হাত রেখেছি? রাখলে বুঝতে পারতে কিভাবে দধীচির মতো শক্ত হাতে নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছে। এই দেখনদারির যুগে শুধুমাত্র দেখানো নয়, প্রয়োজন একটু ভালোবাসার স্পর্শ, একটু উষ্ণতা। একবার শুধু একবার সেই জরাগ্রস্ত হাতগুলোর ধরে বলো আমরা আছি, আমরা আছি। একবার বলো আমরাই তোমাদের অবলম্বন,আমরাই তোমাদের লাঠি । যদি আমরা সময়ের গতিতে সব ভুলে যাই ভবিষ্যতের নব প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে তো?

কার্ল মার্ক্স

ছবি
কার্ল মার্ক্স:  কার্ল মার্ক্স বেঁচে থাকলে আজ তাঁর বয়স হতো দুশো বছর। 'দুনিয়ার মজদুর এক হও' এই শ্লোগানে যিনি শোষিত-বঞ্চিত মেহনতি মানুষকে তাদের ন্যায্য অধিকারের বিষয়ে সচেতন করতে আমৃত্যু সংগ্রাম করেছেন, তিনি হলেন উনবিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত জার্মান চিন্তাবিদ, দার্শনিক, সমাজবিজ্ঞানী ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা কার্ল মার্ক্স।  তার পুরো নাম কার্ল হাইনরিশ মার্ক্স (Karl Heinrich Marx)। তিনি ১৮১৮ সালের ৫ ই মে তৎকালীন প্রাশিয়ার ত্রিভস শহরে সচ্ছল মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ১৮৮৩ সালে চরম অর্থকষ্টের মধ্যে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বাবা হার্শেল মার্ক্স পেশায় আইনজীবী ছিলেন। তার পূর্বপুরুষ যদিও ইহুদি ধর্মাবলম্বী ছিলেন, কিন্তু মার্ক্স জন্মাবার পরে তার পরিবার খ্রিষ্টান (প্রটেস্টান্ট) ধর্মে দীক্ষিত হয়। ছোট বেলা থেকে মার্ক্স ভালো ছাত্র হিসাবে পরিচিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি ছিলেন একজন স্বভাব কবি। তিনি বন ও বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন, দর্শন এবং ইতিহাসের পাঠ গ্রহণ করেন এবং ১৮৪১ সালে তিনি ইউনিভারসিটি অফ জেনা থেকে পি.এইড.ডি ডিগ্রী লাভ করেন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি রাইনল্যান্ডের যু...