পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Wait- Partha Pratim Guha Neogy

One nice quiet morning,  In the noise of life; Just playing  She offered love.  I was surprised,  I burst out in anger;  I told myself Did i fall in love ? Finally realized, I smiled to myself.  In the midst of explain to myself , I lost her.  Still I just think in my mind  Will he come again?  to say Love you. 30/04/2021

Imagining you - Partha Pratim Guha Neogy

Imagine and thinking about you, Well, you are not stale don't you cheat on me? O my love , don't say you d on't love me I don't know if I will be deceived. Request, give love in return Never be arrogant, Love is not a game You will be despised I love you with my heart Keep the respect of love dear. 29/04/2021

Sapphire - Partha Pratim Guha Neogy

The sky is blue, your picture in the middle of it  Your love in the air in the sky.  Today is spring,  Love is flying like a butterfly with matching wings.  The swarming bees are sitting happily.  The world is painted blue today, Blue sari wrapped around your body,  Blue tip on forehead.  You are like sapphire blue.  Today is spring,  Love you much more than Valentine's Day. 28/04/2021

কবিতায় তুমি -পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

প্রতি রাতে ভেবে রাখি, আজকের  ভাবনা কালকের কাগজে তুলবো ছেপে কিন্তু, হায় আমার কবিতা কোথায় ? দিনের আলোর মাঝে সে মুখ লুকোয়, কখনও তাকে  পাব না ফিরে আর। নিদ্রাহীন থেকে জেগে গড়ে তুলি কবিতার অপরূপ দেহলতা রঙ্গিন সাজসজ্জা , অলঙ্কারে রূপের বাহার, কটিদেশ সরু তার , উন্নত নাসা, কোমল কপোল, গোলাপের মতো ঠোঁট, কবিতার স্বপ্নের  শরীর কেবলই পড়ে লুকিয়ে অতল বিস্মৃতির ভিতরে। দিনরাত আমার ভাবা অসংখ্য কবিতা পথ হারায়, জনারণ্যে অথবা নিভৃতে অজানা  স্বপনে। বুকের ভিতরের জ্বলে উঠা আলো হয়তো নিভে যাবে ভালবাসাহীন দূষিত বায়ুর দাপটে। হয়তো আমার ভীরু মানসিকতা আমাকে বঞ্চিত করলো ভালবাসার সুখের ছোঁয়া পেতে। ২৭/০৪/২০২১

নারীর মর্য্যাদা - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

জীবনে কখনও শ্রেষ্ঠ নারী কখন বা নর, শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই লড়ছে পরস্পর। একটি পাখি দুইটি ডানার নির্ভরতায় ওড়ে, একটি ডানা নষ্ট হলে রইবে নীচে পড়ে।  নারী তবু পায়নি আজো সমানাধিকার , নারী কেন পায় না তাঁর মানবাধিকার? একই সমান শ্রম দিয়ে সে পায়না সমান দাম, এক সমাজে বাস তবু অকারণে নারীদের বদনাম।  পছন্দমত পোষাক পরায় পায়নি স্বাধীনতা, সব স্তরে নারীর জীবনে কেন এই পরাধীনতা? একই মায়ের গর্ভজাত হয়েও সর্বদা বঞ্চিত, স্থাবর ও অস্থাবর সব নরের জন্য সঞ্চিত।  বিয়ের পরে স্বামীর ঘরে পণপ্রথার  হয় বলি, জন্ম জন্ম  আসছে এই নির্লজ্জ প্রথা চলি। প্রাণহানি আর মানহানিতে পায়না সে সুবিচার, পুরুষশাসিত এই সমাজে নারীর পরে এতই অত্যাচার।  ক্ষমতায়ন হচ্ছে নারী কিন্তু অসহায়, মান সম্মান নিয়ে নারী পাচ্ছে না কোন ন্যায়। ইচ্ছা ক’রে পুরুষ তারে করে নির্যাতন, তাহলে আজ এই সমাজে কিসের পরিবর্তন?  সভ্যতার এই স্বর্ণ শিখরে, আজও বর্ণচোরা নর, উন্নয়নের গল্প শুনে হয় সে শ্রুতিধর। ডিজিটাল এদেশ প্রযুক্তি নির্ভর, তবু কেন ধর্ষণ হয়? কারা এই বর্বর? ২৬/০৪/২০২১

বৃদ্ধাশ্রমের মা - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

বৃদ্ধাশ্রমের জানলা ধরে ঝাপসা চোখ দাঁড়িয়ে আছো একা, কাঁপছে দুখানি পা, আসে যদি তোমার খোকা। এভাবেই করে লালন পালন, টিমটিম করে এক বাঁচার নেশা, ভিতরে মনের বইছে স্মৃতি, তরঙ্গিণী খরস্রোতা। মায়ের মন- আসবে খোকা, শূন্য পথে দুচোখ পাতা, আগের মতো জাপটে গলা, ভালোবাসায় মুছে দেবে মনের সব মলিনতা।  জানলা বেয়ে চোখ চলে যায়, গাছের সারির পাশ কাটিয়ে, হয়তো খোকা ব্যস্ত ভীষণ, সব কাজের দায়িত্ব নিয়ে। ছেলেটাও তো ছোট্ট এখনও সামলে রাখা কি মুখের কথা, আগে তো খুবই দুষ্টু ছিল, নানারকম বায়না  তার বাঁধা। খাবার সময় নিজের হাতে একটুকুও যদি দাঁতে কাটে, হাতে ধরে খাইয়ে দিলে, তবেই না খাবার মুখে ওঠে। ঠিক যেন ওর বাবার মতো,তারও ছিল এক ঝামেলা, ভাত নিয়ে থাকবে বসে ,  তবু   নিজের হাতে খাবেনা। স্কুল পেরিয়ে কলেজ যখন, তখনও সেই এক বায়না, মা মেখে খাইয়ে দিলে তার মত নাকি স্বাদই হয় না।  গাড়ি, বাড়ি,আধুনিকতা, ঢেকে দেয় সেসব কথা। হারিয়ে যায় আঙ্গুল ধরে টলোমলো হাঁটতে শেখা, ঢাকা পড়ে যায় মায়ের আঁচল জড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়া, যায় হারিয়ে সেসব কথা, ঋণভার পাহাড়চুড়া।  ভেজা চোখে স্মৃতির মনিকোঠায় , ঘুরে বেড়ায় মা একলা, দিব...

আনা ফ্রাঙ্ক : জার্মানিতে জন্মগ্রহণকারী ডায়েরি লেখিকা এবং হলোকস্টের শিকার।

ছবি
আনেলিস মারি ‘আনা’ ফ্রাঙ্ক (ইংরেজি: Annelies Marie "Anne" Frank) (১২ জুন ১৯২৯ — ১৯৪৫ সালের মার্চের শুরুর দিক পর্যন্ত) হচ্ছেন হলোকস্টের শিকার সবচেয়ে বেশি আলোচিত ও বিখ্যাত ইহুদি ব্যক্তি। তিনি তার মানসম্পন্ন লেখনীর জন্য পরিচিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সময়কার তার দিনলিপি এখন পর্যন্ত বিশ্বের অন্যতম সর্বাধিক পঠিত বই এবং অনেক চলচ্চিত্র ও নাটকের মূল বিষয় হিসেবে গৃহীত। তার জন্ম ভাইমার জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট আম মাইন শহরে, কিন্তু তার জীবনের বেশিরভাগ সময় কেটেছে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে। জাতীয়তায় ১৯৪১ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন একজন জার্মান। নাৎসি জার্মানির সেমিটিক বিদ্বেষী নীতির কারণে তিনি তার জার্মান নাগরিকত্ব হারান। তিনি আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতি লাভ করেছেন তাঁর দিনলিপির জন্য, যেখানে তিনি নেদারল্যান্ডসের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কালীন তার অভিজ্ঞতাগুলোকে লিখে রেখেছিলেন। ১৯৩৩ সালে ফ্রাঙ্কের পরিবার আমস্টারডামে চলে যায়। সেই বছরেই নাৎসিরা জার্মানির ক্ষমতায় আসে। ১৯৪০ সালে তারা নাৎসি জার্মানির আমস্টারডাম দখলের কারণে সেখানে অন্তরীন হয়ে পড়েন। ১৯৪২ সালের দিকে ইহুদি জনগণ নিধন বাড়তে থাকায় তা...

Mascha Kaléko(মাশা কালেকো)।

ছবি
Mascha Kaléko (born Golda Malka Aufen; 7 June 1907 – 21 January 1975) was a German-language poet. Kaléko was born Golda Malka Aufen in Chrzanów, Galicia (now Poland). She was the daughter of Fischel Engel, a merchant, and Rozalia Chaja Reisel Aufen, both of Jewish descent. With the commencement of World War I, her mother moved with her and her sister Lea to Germany; first to Frankfurt, then to Marburg, and in 1918 to Berlin where her parents married in 1922. In 1928, she married the Hebrew teacher Saul Aaron Kaléko. From 1929  she published poetry presenting the daily life of the common people in newspapers such as Vossische Zeitung and Berliner Tageblatt.  In her poetry, Kaléko captured the atmosphere of Berlin in the 1930s. She attained fame and frequented places like the "Romanisches Café", where the literary world met, among them Erich Kästner and Kurt Tucholsky. In January 1933, Rowohlt published her first book with poetry Lyrisches Stenogrammheft, which was soon subject...

শঙ্খ ঘোষ - ভারতীয় কবি।

ছবি
শঙ্খ ঘোষ (৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩২ - ২১ এপ্রিল, ২০২১) একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি ও সাহিত্য সমালোচক। তিনি একজন বিশিষ্ট রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ। তিনি কাব্য সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ও জীবনানন্দ দাসের উত্তরসূরী ছিলেন। তার প্রকৃত নাম চিত্তপ্রিয় ঘোষ। যাদবপুর, দিল্লি ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপনাও করেছেন। বাবরের প্রার্থনা কাব্যগ্রন্থটির জন্য তিনি ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৬ খ্রিঃ লাভ করেন ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান ,জ্ঞানপীঠ পুরস্কার। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হল মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে, উর্বশীর হাসি, ওকাম্পোর রবীন্দ্রনাথ ইত্যাদি। শঙ্খ ঘোষ এর আসল নাম চিত্তপ্রিয় ঘোষ। তার পিতা মনীন্দ্রকুমার ঘোষ এবং মাতা অমলা ঘোষ। তিনি বাংলাদেশের বর্তমান চাঁদপুরে জেলায় ১৯৩২ খ্রি ৫ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। বংশানুক্রমিকভাবে পৈত্রিক বাড়ি বাংলাদেশের বরিশাল জেলার বানারিপাড়া গ্রামে। শঙ্খ ঘোষ বড় হয়েছেন পাবনায়। পিতার কর্মস্থল হওয়ায় তিনি বেশ কয়েক বছর পাবনায় অবস্থান করেন এবং সেখানকার চন্দ্রপ্রভা বিদ্যাপীঠ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ...

Zohra Orchestra

ছবি
The Zohra Orchestra (also known as the Afghan Women's Orchestra and Ensemble Zohra) is Afghanistan’s first all-female orchestra, named after the music goddess in Persian writings.It was formed in 2015 in Kabul by the Afghanistan National Institute of Music and its founder Dr Ahmad Sarmast, itself formed in 2008 with the goal of bringing a musical education to young Afghans in the wake of liberation from the Taliban, under whom women’s rights were severely curtailed.The orchestra performs traditional Afghan music, as well as Western classical music, and has received numerous awards, including the Queen Soraya Award and the Freemuse Award in 2017, and the Montluc Resistance Liberte Award in 2018.  Tours: The Zohra Orchestra has completed several high-profile tours since 2017. They have performed at the World Economic Forum and toured the United Kingdom in 2019, visiting the British Museum in London and the University of Oxford.  2019 Tour of Australia: In celebration of the 100t...

গোধূলির প্রেম-পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

সন্ধ্যার পড়ন্ত আলোতে  তুমি  দিলে দেখা, তোমায় বরণ করি কি দিয়ে? ওগো গোধূলি বেলা, কনে দেখা  আলোতে    প্রিয়া এলো মোর হৃদয়ে, ওগো গোধূলির রং এত রঙিন হও কি মন রাঙিয়ে?  দিনশেষের আলো তুমি সুন্দর হয়ে এসো, প্রিয়ার মুখে প্রকাশিত হয়ে প্রেমের সূধা ঢালো। ভালোবাসার  রঙে   তুমি প্রেমময় হয়ে এসো, প্রিয়ার হৃদয় রাঙিয়ে আমারে বাসাও ভালো।  আকাশের পানে চেয়ে দেখো, কত না সুন্দর আকাশের নীলিমা! সেই নীলিমায় হারিয়ে যাবো তোমায় নিয়ে যাবো বহু দূর কেউ পাবেনা খুঁজে। ওগো গোধূলি বেলা, তোমার রঙিন আলোয়- প্রিয়া আছে আমি আছি, হৃদয় উজার করে আজ শুধু ভালোবাসি আর ভালোবাসি।

আত্মভক্ষণ (Autophagy)।

ছবি
আত্মভক্ষণ বা অটোফেজি বা অটোফেজোসাইটোসিস হলো এমন একটি প্রাকৃতিক ও নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়া যা ঘনীভূত, জমাটবদ্ধ বা অকার্যকর উপাদানগুলিকে পৃথক করে। অটোফেজি শব্দটির উৎপত্তি প্রাচীন গ্রীক শব্দ αὐτόφαγος অটোফেজোস (যার অর্থ "আত্ম-ধ্বংসকারী" এবং κύτος কাইটোস থেকে ( যার অর্থ "ঠ্যালা")। ইতিহাস: রকেফেলার ইন্সটিটিউটে বিজ্ঞানী কেথ আর. পোর্টার ও তার ছাত্র থমাস অ্যাশফোর্ড এর মাধ্যমে অটোফেজি বা আত্মভক্ষণ কৌশলের ধারণাটি সর্বপ্রথম সামনে আসে। ১৯৬২ সালের জানুয়ারিতে ইঁদুরের যকৃত কোষে গ্লুকোজেন যোগ করার পর লাইসোজোমের সংখ্যা বৃদ্ধির উপর তারা একটি নিবন্ধ তৈরি করে।  প্রক্রিয়া ও পথপরিক্রমা: স্বৈরশাসনের তিনটি ধরন সাধারণত বর্ণিত হয়: ম্যাক্রোউটোফাগি, মাইক্রোউটোফাগি, এবং চ্যাপেরোন-মধ্যস্থ অটোফ্যাগি (সিএমএ)। ম্যাক্রোউটোফ্যাগি ইন, এক্সপেন্ডেবল সাইপল্লাজসমিক উপাদানগুলিকে টার্গেট করা হয় এবং অটোফ্যাগোসোম নামে পরিচিত একটি ডবল ঝিল্লিযুক্ত কোষের মধ্যে কোষের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়, যা সময়ের সাথে সাথে উপলব্ধ লিওসোোমের সাথে যুক্ত হয় এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নিষ্পত্তি এর বিশেষ পদ্ধতি নিয়ে আসে।...

প্রিয়ার অভিমান - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

জানালার  পাশে দাঁড়িয়ে দেখি পূর্ণিমার ঐ চাঁদ, ভালোবাসার আবেশে ঢাকা জ্যোস্নাভরা এ রাত। অভিমানী চোখে যখন তাকাও আমার দিকে, চোখে পড়ে  অশ্রুবিন্দু তোমার চোখের ফাঁকে।  টানা চোখের বাঁকা চাহনি - লাগছে ভালো খুব, রেগে যাওয়া কপালের ভাঁজ তারাও আজ নিশ্চুপ। মুখে তোমার একটু হাসি, চোখে জল রাশি রাশি, ভাবছ তুমি বলবে আমি ভালো আছি।  ভীরু ভীরু চোখের ভাষা বলছে কত না বলা কথা, বলতে গিয়ে কাঁপা স্বরে হঠাৎ কথা হারিয়ে ফেলা। লুকিয়ে লুকিয়ে জানালা দিয়ে চাঁদটাও দেয় যে উঁকি, দেখছে তোমার অভিমানী মুখের  চেহারাখানি।  ক্ষমা করে দাওনা এবার ধরছি আমি কান, চাঁদটাও যেন ডাকছে মোদের -ভুলে যাও অভিমান। চোখটি এবার টেরিয়ে দেখছ আমায় ঠায়, অন্য কিছু বলার তোমার নেই এ সময়। ভালোবাসি তাইতো তোমার কাছে আসি। রাগ- অভিমান ভুলে চল চাঁদের আলোয় ঘুরি । চাইছি ক্ষমা , ভুল তো  মানুষেরই হয়। করবো না আর এমন কভু, মাফটা এবার কর বঁধূ, মুচকি হেসে আলতো করে চুপি স্বরে বলে আমায় , মাফ করছি এবার - কভু এমন কাজ আর যেন না হয়। এমন ভাবেই মিষ্টি করে অভিমানের শেষ হয়, মনমালিন্য যতোই থাকুক, সবশেষে ভালবাসারই জয়। ২৪/০৪/২০২১

খুঁজছি আমি তোমায় - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

হয়তো আমি এখনও তোমায় খুঁজে বেড়াই রাতের স্বপ্ন রাজ্যে তোমাকেই ফিরে পাই, হয়তো এখনও লোভী এ মন লুকিয়ে গোপনে  ভাবছে তোমায়, আঁকছে ছবি নিজেরই অজান্তে সবটুকুই হোক তোমার, যেন সূর্য ও চাঁদ সাক্ষী রেখে লেখা থাক এ গল্পের ইতি নতুনের শব্দে।  আমি তোমার সাথে চলার পথে এই পথের শুরু থেকে শেষের মাঝে, হঠাৎই থমকে দাঁড়িয়ে বলতে চাই - ধন্য তোমায় ভালবেসে আমি । অজান্তেই অনেকবার ভয় পেয়েছি,  সবকিছু জেনে তবুও ভেবেছি  হও নি তুমি সাথী আমার । শ্রান্ত ক্লান্ত হয়ে আজ প্রান মনে বিধাতার কাছে চাইছি আমি-  দিয়ে দাও আমায় স্বপ্নগুলো আমার আজ যেন এই নতুন এ পৃথিবী চাইছে তোমায় এখানে, বাতাসেরও এই নতুন শব্দে সাক্ষ্য দেয়ার সুর প্রতিক্ষণে তবে আজ কেন দ্বিধা মনে সব পূর্নতার পূর্বক্ষণে ভেবে নিয়েছি তোমায় নিজের করে! ২২/০৪/২০২১

প্রিয়তমা,ভালোবাসি........ - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

প্রিয়তমা,আজও তোমায় ভালোবাসি। ভালোবাসি তোমার ঠোঁটে লেগে থাকা সেই মনভোলানো মুচকি হাসি।  তোমার হাতে  চিমটি কাটার দাগখানা রয়েছে কি এখনো ? চিমটি টা লেগেছে বুঝি একটু জোরেই ?সেই দিন কি রাগই না রেগে ছিলে  তুমি। এই জান তো?রাগলে তোমায় ভীষণ মিষ্টি লাগে।  আমার চুলে তোমার হাত বোলানো আজও ঘুমের মাঝে অনুভব করি।তুমিই সেদিন বলেছিলে আমার মাথার অবাধ্য চুলগুলোও নাকি তোমার ভীষন ভালো লাগে। প্রথম তুমিই আমার চুলগুলো ভালোবেসে ছিলে।।  তোমায় দেখিনা কত দিন,হিসেব কি আছে তোমার কাছে?? তোমার সাথে কাটানো দিনগুলোর কথা ভাবলেই চোখে জল আসে । এখনো প্রতীক্ষায় থাকি তোমার একটা ডাকের । হয়তো আবার...........।। কি জানি ? প্রিয়তমা , এখনো তোমায় ভালোবাসি। ২১/০৪/২০২১

তুমি আসবে কবে বলো... - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

গল্পের শুরু তোমাকে নিয়েই শেষেও  রয়েছ তুমি, মাঝে  কিছু অবাক  স্তব্ধতা আর কিছু কিছু পাগলামি। তোমায় দেখলে এলোমেলো হয়ে যায় আমার কবিতার অন্ত্যমিল, হটাৎ করেই  বর্ণহীন  হয়ে হারিয়ে যায় মধ্য আকাশের নীল। অবুঝ স্বপ্নগুলো তোমাকে ঘিরে স্বপ্নতেও তোমায় দেখি, নিদ্রাহীন  রাত্রিগুলো তোমার জন্য জাগা তোমার ছবি হৃদয়ে আঁকি। তোমাতে  সপেছি আমার সকল বিকেল আর নীল জোৎস্নার আলো, আবার তুমি নুপুর পায়ে আসবে কবে বলো... ০৯/০২/২০২১

প্রেমছাড়া ভালবাসা - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

প্রেমছাড়া ভালবাসার সুখের সন্ধানে দীর্ঘ দৈহিক মিলনে রাত্রি জাগরণ শেষে ক্লান্ত  চোখ দুটি খুঁজে ফেরে তার সুখের প্রদীপ হৃদয়ে কাম  আছে , নেই শুধুই ভালবাসা, ক্ষণিকের জ্বলা-দীপ। প্রেম হীন কামের রজনী চাই না, চাই না চোখ ধাঁধানো আলোর চমক স্বচ্ছ স্রোতস্বিনী জলের  মত অবগাহনের প্রেম চাই, হোক নিভু নিভু ছোট্ট প্রেমের প্রদীপ হোক না কয়েক পলক অসামান্য সময় তবুও প্রেম  থাক বেঁচে , হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া ছোট্ট প্রহর এতটুকুই চাই, শুধু সুখকে যেচে।। ১০/০২/২০২১

স্মৃতিতে তুমি - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

ছবি
জানি ভুলে যাবে আমায়, ভুলে যেও! শুধু যেটুকু আমার বলার ইচেছ ছিল, যেটুকু বলতে  নিষেধ  ছিল সেটুকু তুমি না হয় বুঝেই নিও। মুছে ফেলবে? মুছে ফেলো শুধু যেটুকু তোমায় দেবার ছিল যেটুকু দিতে ভয় ছিল সেটুকু না হয় স্মৃতিতে রেখো! জানি, বিদায় নেবে বিদায় নিও, শুধু মনে রেখো, ভালোবাসার  কথা ছিল, ভালোবেসে বাঁচার ছিল, হাতে হাত রাখার ছিল,খানিকটা প্রেম বাকি ছিল! মনে রেখো! ১১/০২/২০২১

আমিও ফুরাবো... - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

দিন আসে দিন যায় , ধুলো ভরা পথ ঘাট কালো ঘূর্ণিঝড়ে মন খানি ঢেকে থাক না পাওয়ার ভীড়ে ;সবকিছু ভোলা যাক সময়ের সাথে হারানো প্রেম উড়ে যাক , চলে যাক, মনে রবে কি আমারে?; সময়ের বেড়াজালে ? সময় হারায় ,সব কিছু ফুরোয় ; আমিও ফুরাবো …… ১১/০২/২০২১

আমি থাকব ততোদিন - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

তুমি থাকবে যতদিন, স্বপ্ন ছড়াবে তত দূর তুমি নেবে যতদূর। প্রিয়া,আমার ভালবাসা আমায় ফেলে যেও না বৃথা শাস্তি দিও না, স্বপ্নটা ভেঙ্গে দিও না। ঘুমিয়ে থাকলে স্বপ্নে শুধু তোমায় দেখি, যখন জেগে থাকি কল্পনাতে তোমায় খুজি। দূরে তাই চলে যেও না দূরত্ব বাড়িয়ে আমায় ছাড়িয়ে, আমারই স্বপ্নগুলো অপূর্ণ রেখে। স্বপ্নগুলো কী স্বপ্নই রবে নাকি তোমার ভালবাসায় তা সত্যি হবে? ১২/০২/২০২১

নইলে এসে কি আর হবে ..... - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

বেহেস্ত - দোজখ বলে যদি কিছু থেকে থাকে তবে আমি দোজখেই যেতে চাই, প্রিয়তমা! তুমি যদি আমার সাথে এই দোজখে বসে ভালবাসায় ভুলে যাও দোজখ বলে কিছু আছে !! আমাদের ভালবাসায় যদি নিভে যায় দোজখের তপ্ত আগুনের লাভা ! আমাদের ভালোবাসায় যদি দোজখও প্রেমে আবদ্ধ করে নিতে চায় বেহেস্তকে ! তবেই এসো প্রিয়তমা !! নইলে এসে কি আর হবে !! ১২/০২/২০২১

চুম্বন দিবস উদযাপন - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

সমস্যার পর সমস্যা ! প্রেমে আমি মাতাল ; লুকাতে পারি না প্রাণের কথা : বুঝাতে পারি না মনের হাল ! সারাদিন কর্মব্যস্ত নেই এতটুকু অবসর ! যেটুকু সময় পাই ; তাতেও তুমি ব্যতিব্যস্ত ! যৌথ পরিবার ! সারাদিনের  চেঁচামেচি - সন্ধ্যা থেকে দিনের শুরু সকালবেলায় ছারখার ! তাও এই প্রেমের দিনে - তোমার কাছে আসি ! লজ্জাবতী তুমি ! দিনটার শুধু প্রথা মেনে কপাল তোমার চুমি ! ১৩/০২/২০২১

বৃষ্টি , আমার প্রিয়া.... - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

বৃষ্টি , আমার প্রিয়া, তোর কখন আসা হবে...? আমাকে একটু বল "তোর জন্য রাখা আছে ধরে.. আমার নয়ন জল!! "কাঁদবো আমি তখন " তোকে দেখবো যখন" খুঁজবে না কেউ আর" কারন আমার কান্নার । ১৩/০২/২০২১

তোমায় হারিয়ে ফেলব না - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

বহু সাধনায় পেয়েছি তোমাকে হারাতে চাই না  স্বর্গ পেলেও; মমতাজই হোক আর ভিক্টোরিয়া  হোক আমিও কম নই কিছুতে- আমারও জমিন আছে          একর  একর, বুকেতে। তাজমহল নয়, উষ্ণ ভালবাসার বাড়ি সোনা-দানা নয়, আছে শুধু প্রেম মাখানো জড়ি। আমি নিঃস্ব হতে পারি, তবে ভিখারি নই প্রেম  সাম্রাজ্যের বীর সৈনিক                     ভালবাসায় থৈ থৈ। আমারও স্বপ্ন আছে  তোমাকে  ঘিরে, না-হয় পাবো  প্রতিদান            শিরি-ফরহাদের মতো মরে। তবুও ছেড়ে যাবো না তোমাকে                 রাখবো বুকেতে ধরে। ১৩/০২/২০২১

নীলাম্বরী - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

আকাশ নীল , তার মাঝে তোমার ছবি আকাশে  বাতাসে তোমার ভালবাসা । আজ বসন্ত, ভালবাসা প্রজাপতি হয়ে উড়ছে ডানা মেলে । ফুলে ফুলে মৌমাছি বসেছে আনন্দে মেতে । পৃথিবী আজ সেজেছে নীল রং এ তোমার গায়ে জড়ান নীল শাড়ি, কপালে নীল টিপ । তুমি যেন নীলাম্বরী নীল। আজ বসন্ত, তোমাকে ভালবাসি ভালবাসার দিন গুলির থেকে অনেক বেশি । ১৪/০২/২০২১

কল্পনায় তুমি - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

তোমায় নিয়ে ভাবনা কল্পনা, ভাল তো বাসি তোমায় অল্প না করো  কেন আমার সাথে ছলনা ওগো প্রিয়া বল না তুমি কি আমায় ভালবাসো না? প্রতারিত হবো কিনা জানিনা । অনুরোধ, ভালবাসার দিও প্রতিদান কোর না কখনো অভিমান, ভালবাসা নয় কোন খেলা করবে যে তুমি হেলা ফেলা ভালবাসি তোমায় দিয়ে মন রেখো প্রিয়া ভালবাসার সম্মান। ১৪/০২/২০২১

অপেক্ষা - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

এক সুন্দর শান্ত সকালে, জীবনের কোলাহলে; নিতান্তই খেলাচ্ছলে দিয়েছিলো সে ভালবাসার প্রস্তাব। অবাক হয়ে চেয়ে থাকলাম, ক্রোধে ফেটে পড়লাম; নিজেকে বললাম আমি কি ভালবেসে ফেললাম ? অবশেষে বুঝলাম , আর মনে মনে হাসলাম। নিজেকে বোঝানোর মাঝে তাকে হারালাম। আজও আমি চেয়ে থাকি মনে মনে শুধুই ভাবি সে আবার আসবে নাকি বলতে আমায় ভালোবাসি । ১৫/০২/২০২১

প্রতীক্ষা - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

পারিনি বুঝতে বা ভাবতে, কখনো হারাবো তোমায়। শূন্য আজ হৃদয় আমার একাকী হয়েছি কঠিন ধরায়। ক্লান্ত আমি , ক্লান্ত হৃদয় কিছুই ভাল না তুমি ছাড়া। বুকের ভেতর তোমার ছবি, স্মৃতিকে দেয় পাহারা। এভাবে হারালে মিথ্যে মায়ায় জড়ালে, ভালবাসাই কি  দোষ ছিল আমার এ জ্বালা, সইছে না যে,আর। বেঁচে থাকা দায় তুমিহীন, ভূলতে চাই, ভোলা তো যাবেনা । হারিয়েছ তুমি ,  হারিয়ে যাও ফিরে আর এসো না‌ । আমি স্মৃতি নিয়ে থাকব বেঁচে, আজীবন পথ চেয়ে ভুল করে যদি আসো ভালবাসা নিয়ে। ১৫/০২/২০২১

আমাদের বসন্ত - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

বসন্ত তা হলে এসেই গেল, বুঝলে ভাই !  কি হল ! ভাবছটা কি ?  আমাদের এই ব্যস্ত ভিড়ের শহরে  প্রাণের বসন্তকে পাবে কোথায় ?  এই জনারন্যে  জীবনের আর্তনাদে  কোকিলের মিষ্টি কুহু ধ্বনি  আজ কোথায় ?  আরে স্বপ্ন দেখ নাকি ?  এই কোলাহল - কলকারখানার শহরে  কোথায় পাবে  পলাশ, কৃষ্ণচূড়া, কোকিল আর প্রেমের বসন্তকে ?  এ তো নগরের বসন্ত ।  এ তো বসন্ত জনারন্যের কপোত - কপোতীর ;  যার প্রেমের নির্জনতার ছোঁয়ায় -  ভেসে যায়  ভিক্টোরিয়া, ময়দান আর উদ্যান । ১৬/০২/২০২১

বহুদিন পর দেখা - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

বহু দিন পর  হলো দেখা- হলোনা কোনো কথা, ভীত হরিনীর দৃষ্টি দেখে- প্রানে লাগলো মোর ব্যথা । ঝরনার মতো বয়ে নয়- ফুলের মত ফুটে থেকো , ভুল বুঝ না বন্ধু  আমায়- তুমি মনে রেখো। সুখের সাগরে রাখতে না পারো - দুঃখের সাগরে রেখো , ভালোবেসে যাবো তোমায়- আমার কর্ম চিন্তার জীবন মোহনায়। ১৬/০২/২০২১

জীবনকথা - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

মিলন মূর্তির নিচে জমাট অন্ধকার, ফণা ধরে   বসে আছে বিষাদের রঙ--- হাওয়ায় মেশার আগে থাক আরো কিছুদিন শূন্যমঞ্চে এভাবেই  জীবনের ঢঙ। থাক মগ্ন আঙুল কালো নিশীথের নগ্ন বুকের 'পরে, টুকরো আলোর চিত্রলতা হৃদয়হরণ করে, ইচ্ছেগুলি ছিন্নবসন গন্ধমাতাল--- উন্মাদনার ঝড়ে। চলে যেতে যেতে হে আমার ফেরার পিয়াসা---দেখো তুলে চোখ অতিক্রান্ত দিনের ললাট, মন আগুনে বন পোড়ে রে, হাওয়া ঘোরে জানালা খুলে দাঁড়িয়ে থাকে চৈত্রের মাঠ। হে রাত্রি, শোনো বাসনায় ব্যাকুল  প্রেমালিঙ্গনের গান--- আশ্লেষে আরক্ত তিথি, উষ্ণ বাহুমূল শিয়রে সফেন সমুদ্র তরঙ্গ-সঙ্কুল; মঞ্জুরিত পত্রছায়ায় দেখো পুস্পের প্রয়াণ। ১৭/০২/২০২১

পথ অজানা - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

কিভাবে যে বেলা গেল ছায়া এলো নেমে, তবু আমি পথ চলি ঈশ্বর তোমার নামে। আরো পথ আরো পথ, শুধায় আধার দু'চোখে  স্বপ্ন-নেই আর। আমায় যে যেতেই হবে , কি করব ভাই। সময়ে করেছি হেলা, বেলা গেল তাই। এভাবেই কেটে গেল সারা জীবন দিন ভরে অচেতন, রাত ভর জাগরণ। দু'চোখে নিদ্রা আনে বিচিত্র স্বপন সকালে হারাই আমি নতুন কিরন। পথিকের পথ আর পথিকের নয় পথের ইচ্ছায় পথ আমায় চালায়। এভাবেই চেনা পথ হয়ে গেল অচেনা চিরকালই রয়ে গেল পথ আমার অজানা। ১৮/০২/২০২১

ভালবাসা - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী

ছবি
তুমি যেথায় স্বপ্ন খোঁজো, আমি সেখানে স্বপ্ন রচি। তুমি  ভালোবাসা হারিয়েছো যেথায়, আমি  শুরু করি সেথায়। তুমি যখন কেঁদে ফেলেছো, আমি তখন হাসতে চেয়েছি। তুমি যখন আঁচল খুলেছো, আমি তখন খোঁপায় ফুল গুঁজে দিয়েছি। স্বগর্বে বুক এলিয়ে দিয়ে আমি ভালোবাসা চেয়েছি। মস্তিষ্কহীন সমাজচ্যুত দেহ নিয়ে তোমার সামানে দাঁড়িয়েছি। আর কত? আর কতো বিষাদের কথা লিখতে বলবে আমায়? আর কতো ভালোবাসার কবিতা পাঠ করতে বলবে আমায়? আমি বুকের বাঁপাশে একটা খাঁচা বানিয়েছি, তোমাকে পুষবো বলে। তুমি ছিলে  উড়তে চাওয়া গাংচিল আকাশ পানে, অথচ আমি চেয়েছি তোমায় বন্দী করতে বুকের খাঁচায়। যার ঠিকানা আকাশে, তাকে কি রাখা যায় বুকে? আমি তোমাকে চেয়েছিলাম, সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো। আমার লেখায় উপচে পড়বে ভালবাসার ঢেউ। চোখের নোনাজলে তীব্র হাহাকার আর আকাঙ্ক্ষার বানী নিয়ে আমি কবিতা লিখি। আমি পাহাড়ের মতো উচ্চতা নিয়ে তোমার সামনে মাথা নত করি। আমি তোমার বুকের খাতায় নতুন সজীবতার স্বপ্ন বুনি। ভালোবাসি ,ভালোবাসি ,ভালোবাসি বলেই তো তোমাকে নিয়ে  স্বপ্ন দেখি। ১৯/০২/২০২১

তুমি নেই বলে....... -:পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

এই, একটু সময় হবে তোমার ? ধরো যেকোন একটা মন ভালো করা বিকেলে পরিকল্পনাহীন  ভাবে বেরিয়ে পরলাম দুজনে কোন বাধা ধরা সময় কিন্তু চলবে না আচ্ছা তুমি আসবে তো?? এই  জানো? আমি কত দিন ফুচকা খাই না? কত দিন ঝালের  জ্বালায় চিৎকার করি না? কত দিন ভালো শাড়ি পড়ি না? কত দিন প্রাণ ভরে সাজি না? আচ্ছা তুমি কি করে জানবে এসব? আমি এখন আর হঠাৎ আসা বৃষ্টিতে ভিজি না? ইচ্ছে করেই ছাতা ছাড়া বেরোই বৃষ্টিতে ভিজবো বলে অথচ দেখো এখন আর হঠাৎ বৃষ্টিও আসে না হয় তো তুমি নেই বলে। ১৯/০২/২০২১

প্রিয়াহারা - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

ছবি
সেদিন ইস্কুলে , বসেছিলে পাশে আড়চোখে তাকিয়ে থেকে ইশারায় কথা বলে,হৃদয়ে ঝড় তুলে আমায় নিয়েছিলে ডেকে। আমার হাতটি ধরেছ আপন করে হাতেহাত রেখে কত পথ চলা স্বপ্নের জাল বোনা, মিলনের প্রহর গোনা হেসে হেসে গল্প বলা। তারপর কি যে হল,কোথা থেকে কালবৈশাখী এলো কেড়ে নিলো যে তোমায় বধূ হয়ে তুমি গেলে,অন্যের ঘরে চলে একাকী রেখে গো আমায়। তোমার সে চাহনি,আজও আমি ভুলিনি আমি এখনও কাঁদি একাকী নির্জনে,মেঘলা বাদলা দিনে পড়ে না কি মনে আমায়। সেসব কি ছলনা,ছিল কিনা জানিনা জানতে চায় এ মন রোদে ভরা দুপুরে, নিভৃতে আপন করে পেতে চায় তোমায় সারাক্ষণ। জানি পারবে না তুমি আসতে আর ভালবাসতে তাইতো আমি রয়েছি একা সারাটা জীবন তবু,ভালবাসব তোমায় শুধু নাইবা পেলাম তোমার দেখা। সুখে থাকো তবু চাই,সান্ত্বনা খুঁজে পাই আমার প্রিয়া আজ সুখী সবার স্বপ্ন জানি,পূরণ হয়না মানি নাহয় হলাম আমি দুঃখী ,তুমি তো সুখী। ২০/০২/২০২১

না দেয়া চিঠি - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

এক কনে দেখা  বিকেলে, কখনো বা গভীর  নিশীথে, কিংবা উজ্জ্বল সোনালি ভোরে অনেক ভালবেসে লেখা আমার প্রেমের চিঠি। আর পাঠানো হয়নি.......................। ডাক অফিস নেই, নেই হলুদ রংয়ের সেই খাম, ভাঙ্গা অযত্নের ডাক বাক্স গুলি উঠে গেছে বহু দিন, ডাক পিয়নের ঘণ্টা ধ্বনি আর শুনি না। চিঠিটি পাঠানোর তবুও চেষ্টা করেছি। বড় রাস্তার শেষ মাথায় একখানা ভাঙ্গা ঘরে, ঝিমোচ্ছে পোষ্টমাস্টার........ চিঠির অভাবে। আমাকে দেখে সে তো মহা খুশি, কিন্তু নেই আমার খুশি । কারণ.......... কোথায় পাঠাব চিঠি? অধুনা আধুনিকতার ভিড়ে......... তার ঠিকানাই তো নেয়া হয়নি আমার। ২০/০২/২০২১

আমার ভাষা - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

বাংলা আমার জন্মভূমি, পরিচয় আমি বাঙ্গালী এ ভাষাতেই কথা বলি,  কণ্ঠে সুর তুলি। বাংলা যে আমার ভালবাসা মিটায় আশা , থাকে না পিপাসা হাসি কান্নায় গায় হৃদয়ের কচি বুলবুলি। এ ভাষা গর্ব আমার, আমার অহংকার আঁধারে চাঁদের আলো জোৎস্নার বিপদে আপদে রাখে মায়ার আঁচল তুলি। বিশ্বের যেথায় থাকি , গাই বাংলার গান জাতীয় পতাকায় দেখি বাংলার সম্মান বুকে জোগায় সাহস প্রাণ খুলি। ভাষার তরে প্রয়োজন চাই সবার সচেতন দেহমন যথার্থ ব্যবহার আকিঞ্চন উড়াও নিশান রঙ্গিন পাল তুলি। ২১/০২/২০২১

ভালবাসা - জ্বালা : পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

পৃথিবীর অন্তরে শুধু একটি কথা, অনামী অজানা সেই ভালবাসা। সবারই মাঝে সত্যিই কি সে আছে ? কারো বা সুখ ভরা ,কারও বা দুঃখ - বেদনার, এটি শুধু নাম তার, সে যে ভালবাসা। সবারই থেমে যায় স্রোত ধারা বয়ে , সবারই বিশ্বাস থাকে ,জয় তার হবে , একি শুধু ধোঁকাময় -শুধু জ্বালা দেয়। ২২/০২/২০২১

তোমার চোখে - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

তোমার চোখে আমি দেখেছি অসীম শূন্যতা তোমার চোখ ভরতো প্রেমের স্বর্গীয় আলোকে, দৃষ্টি যেতো বহুদূর। তোমার চোখে আমি দেখেছি বহু প্রহর জেগে থাকা চাঁদের আলো, বিমিশ্রিত রঙ তোমার চোখে, স্বপ্ন নীল চোখের তারা। তোমার চোখে আমি দেখেছি রাত্রির গাঢ় অন্ধকারের হাতছানি আমি সেই রাতের শাণিত আহবান। ২২/০২/২০২১

কালো মেয়ে - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

সাদা পাতাগুলো ভরে উঠবে কোনসময় পাতার পর পাতা  লিখব কখনো আঁকবো তুলিকায় ছবি, না, নড়বে না তুমি। নড়বে না তুমি কালো মেয়ে তোমার কালো সময় ফেলে , এবার আমার সামনে এলে অবশেষে। একটা কবিতা লেখার সুযোগ পেয়েছি , পেয়েছি নতুন ছবি আঁকার মত  তুলি। কালো মেয়ের কালো চোখে ভেসে যায় কেউ, কেউ ডোবে গভীরতা ভরা চোখে। কেউ দেখে চোখের তলে অবাক বিশ্ব, আমি দেখি, আমি অবগাহন করি কালো মেয়েকে ভালোবাসি বলে। ২৩/০২/২০২১

আমি বড় হতে চাই না - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

আমি মনে হয় আর বড় হব না - হতে চাই না। আশির দশকে আমি ছিলাম উনিশের যুবক এখনও আমার বয়স উনিশ দুই হাজার বাইশ সালেও আমি উনিশেই থাকব। যেদিন তোমার সাথে প্রথম দেখা হয় সেদিন তোমার বয়স ছিল ষোলো আমার বয়স ছিল আঠারো , এখনও আঠারো, আর বাড়বে না তোমরা বড় হবে, অনেক বড়, তোমরা বড় হয়ে হয়ত আকাশকে ছোঁবে আমি কেবল তোমাদের  চেয়ে দেখব আর ভাবব, আমি হয়তো আর বড় হব না। বড় হতেও চাই না। চিরকালই আঠারো তে থাকব চির সবুজ হয়ে থাকব। ২৩/০২/২০২১

মোবাইলের প্রেম - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী ।

ছবি
অনেকটা  নয়, এতোটুকুই। সুকঠিন ধরা  ভিজলো এতোটুকুই জমাট ব্যথা উবে গেলো তার একটী কথাতেই জীবনের প্রতি আজ বড় বেশি মায়া! মধুর সুরেলা কন্ঠ নয়, কর্কশ কণ্ঠে ডেকেছিলো সে, আসলে ওপাশ থেকে ডাকলো, আমি শুনলাম। কর্কশধ্বনি জলতরঙ্গের মতো বাজলো কিছুক্ষণ, তারপর কিছুক্ষণ মুদ্রিত চোখে  রইলাম। বেশি কিছু নয়, এ আমার মুঠোআলাপের প্রেম এ আমার চোখে  না দেখা স্বপ্নের গল্প কর্কশ গলায় পরী মোহনীয় হয়ে মোহনবাঁশী বাজায় কানে, আমার মন ছুঁটে যায় স্বর্গপানে বিষন্ন সুরে বাজে সানাইর মতো, ‘ভালো আছো তো ? ভালো আছো তো ? ভালো আছো তো?’ ধ্বনি, প্রতিধ্বনি চর্তুদিকে ছড়িয়ে ... ২৪/০২/২০২১

প্রেম হলে.... - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

তোমার সাথে প্রেম হলে, তোমার খুলে ফেলা চুলের কাঁটা জমিয়ে রাখবো। তোমার চোখের জল চেয়ে নেব জমিয়ে রাখতে। এবার প্রেম হলে, আমি তোমার ঘরে চুরি করবো। তোমার সমস্ত গন্ধ, স্পর্শ – সব সবটা চুরি করে রেখে দেবো। তোমার সাথে প্রেম হলে, সমস্ত ভালোবাসা চুরি করে, ফেরারী হয়ে যাবো। তোমরা চলে গেলে আর ফেরো না। প্রতিদিনের অভ্যাসে তোমার গন্ধ- স্বর, কিচ্ছু থাকে না। এবার প্রেম হলে, আমি সব জমিয়ে রাখবো। তুমি  চলে গেলে, চেয়ে নেয়া চোখের জলে, মনটা ভিজিয়ে রাখব। ২৫/০২/২০২১

প্রথম প্রেম - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

যে দিন তোমাকে আমি প্রথম দেখি , সেদিন  হৃদয়ের মাঝে এক ঝংকার উঠল বাজি। কত অপরূপা তুমি ! দেখিনি আগে , যত দেখি তোমায় ততই প্রেম জাগে । ভালো লাগার চেয়েও তুমি ভালো, তাইতো তোমায় আমি বেসেছি ভালো । ভালোবাসা কোনো বিভেদ মানে না , আমি যে তোমায় ছাড়া কিছু বুঝি না। কি সুন্দর ! তোমার দুটি আঁখি , অপলক নয়নে শুধুই চেয়ে থাকি । প্রাণ ভরা হাসি , তোমার মায়া ভরা মুখ, একবার দেখিলে যেন পাই স্বর্গীয় সুখ । এসো না প্রিয়া তুমি আমার জীবনে , ছায়া হয়ে থাকবো আমি তোমার শয়নে-স্বপনে। অনেক আশায় খুলে দিয়েছি মনের জানলাখানা, রিক্ত হস্তে কখন ফিরিয়ে দিও না । তোমার কাছে শুধু আমার একটাই প্রশ্ন , আমাকে এভাবে আজীবন ভালোবেসে রাখবে তো? ২৬/০২/২০২১

এখন সময় শেষ - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

অজানা সুখ তুমি কোথায় আছো? হারিয়ে সেই যে গেলে আর ফিরলেনা। শেষ কবে দেখেছিলাম আমার  মনে নেই। বল তো তুমি দেখতে কেমন গো? আমার খুব ইচ্ছে করে তোমাকে ছুঁতে। আমার জগৎ  তোমার রঙে রাঙাতে, আমি তো সর্বদা  তোমাকেই পেতে চেয়েছিলাম। আমি তখন জানতাম না  তুমি কি! ওরা তোমার নাম বলে আমাকে ঠকাল, দুই হাত ভরে দুঃখ দিয়ে দিলো। সেদিন বুকে অসহ্য যন্ত্রনা অনুভব করছিলাম, তোমায় ভেবে ভালবেসে  দুঃখকে বুকে জড়ালাম। তখন দুঃখেরা ছিলো নিঃশব্দ, কিন্তু মানাতে পারিনি তাদের সাথে, তবুও তোমায় ভেবে সমঝোতা করলাম দুঃখের সাথে। আজ প্রতি পদে জড়ানো কষ্ট আমার, বুকে চাপা কষ্ট আর দীর্ঘশ্বাসে কঠিন অসুখ হয়েছে। এখন আমি পরপারের পথিক, যে পথে হাঁটছি সে পথ থেকে আর ফিরে আসা সম্ভব নয় ! যেতে যেতে মনের গভীরে কোথায় যেন  তোমাকে দেখতে ইচ্ছে হয়। তোমায় পাওয়ার আশা সবসময় ছিল, কিন্তু দুঃখগুলো বড় বেশী আপন হয়ে গেছে। ওরা মিশে গেছে আমার শরীরে, রক্ত, শিরা, উপশিরায়। ওরা ভেসে বেড়ায় আমার গা ঘেষে। এখন আমার আর ইচ্ছে করেনা ওদের ছেড়ে থাকতে, জানি, “ডাকযোগে” আমার একটি চিঠি এসেছে, তাতে বড়বড় অক্ষরে লেখা- “এখন সময় শেষ”। ২৬/০২/২০২১

ভালবাসার ছুটি - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

ছবি
ইচ্ছে গুলো আকাশে ভাসে, ইচ্ছে হাওয়ায় ওড়ে, ইচ্ছে গুলো মনের ভেতর করছে ছুটোছুটি। তাই ,আজকে ভালবাসা তোমায় দিলাম ছুটি।। ইচ্ছে হলে গাইতে পার, মনের সুখে নাচতে পার, ইচ্ছে হলে হৃদয় ভেঙে করতে পার কুটিকুটি।  তবুও ভালবাসা তোমায় আজকে দিলাম ছুটি।। আমার বুকের খাঁচা ভেঙে ভাসিয়ে দিও হাওয়ায়, রাখতেও পার ইচ্ছে হলে  তোমার মনের দাওয়ায়। ইচ্ছে হলে মিশাতে পার নদীর কুল দুটি তাই ভালবাসা তোমায়, আজকে দিলাম ছুটি।।  তুমি এলে বিনাশীদের নিত্য আসা যাওয়া, নিজের জীবন বাজি রেখে  হংস মিথুন হওয়া। একা একা মনের সুখে করছি ছুটোছুটি, তাইতো ভালবাসা তোমায় আজকে দিলাম ছুটি।। ০৫/০৩/২০২১

একটি সন্ধ্যা - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

ছবি
একটা শান্ত সন্ধ্যা নেমে আসুক সময়ের সিঁড়ি বেয়ে, নিতান্ত সাধারণ চা চক্রে  একটা সন্ধ্যা আসুক, শুধু তোমার জন্য। তোমার একরাশ কালো  এলো চুল, ঠোঁটের কোনের  মিস্টি হাসি জুড়ে  প্রেম নামুক।  প্রেমিকের প্রেমের মুগ্ধতার সুবাস ছড়াও তুমি হাতে রেখে হাত, প্রেমিকের অব্যক্ত অথচ খুব আকাঙ্ক্ষিত  চুমুতে, একটা সাধারণ সন্ধ্যাকে বদলে দাও। খুলে দাও তোমার মনের কবিতার খাতা।  তোমার জন্য একটা সন্ধ্যা আসুক প্রিয়ে। তোমার মায়াবী হরিণ চোখে, ভালোবাসার  দৃষ্টি আসুক।  তোমার প্রেমিক তোমার চোখের গভীরে  তাকিয়ে লিখে ফেলুক ভালোবাসার তোমাকে। তোমার  মুখের হাসি, তোমার চোখের পলক পড়া, অভিমানের শ্বাস-প্রশ্বাস জুড়ে তোমার বুকের ওঠানামা। লিখে ফেলুক  মনে  তোমার সবটা।  একটা সন্ধ্যাজুড়ে তোমার মনে  প্রেম নামুক খুব। একটা অব্যক্ত চুমুতে, তুমি বদলে ফেলো  সব। খুলে দাও তোমার মনের  কবিতার খাতা। ০৬/০৩/২০২১

সান্ধ্য প্রেম - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

ছবি
মাতাল করা বসন্তের এক সন্ধ্যা ,বাতাসে দিঘির জলের অত্যন্ত শীতল কিন্তু প্রাণবন্ত নৃত্যের ছোঁয়া শরীরে আনে শিহরণ আর মনে দেয় এক অজানা অচেনা  ভালো লাগার অনুভূতি , সেথায় বসে তুমি আমি - আমরা দু’জন ।  স্বপ্ন নিয়ে শব্দ করে মাথার উপর উড়ে যায় কেউ,  কেঊ নীরব নিথর মননে সমতলে বসে স্বপ্ন খুঁজে বেড়ায় - পাওয়া না পাওয়ার নিশ্চিত আর অনিশ্চয়তার অস্থির প্রবল উত্তেজনায়।। পাওয়া না পাওয়ার এই যে লড়াই চলে - এটাই জীবন। এই নিয়েই তো ছুটছি আমি,ছুটছো তুমিও সারাক্ষন, হাজার কাজের ফাঁকে এই সন্ধ্যাটাই আমাদের বাঁচার একমাত্র স্বপন। ০৬/০৩/২০২১

বিবাহ বার্ষিকী - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

বিবাহ বার্ষিকীর  ফাগুন রাঙানো অরুণ প্রভাতে খুশিতে মাতি দুজনে। ফিরে আসুক বারে বারে, বারে বারে ফিরে আসুক সুন্দর এই দিনটি, আনন্দের এই মহাক্ষণে। বিশ্বাসের উপর ভর করে ভালোবাসার হাত ধরে, সন্দেহ অবিশ্বাস দূর করে ভালোবাসাকে অনুরক্ত ও সমৃদ্ধ করেছে আনন্দ এবং বেদনার স্মৃতিগুলো। হৃদয়ের সাথে হৃদয় হোক চোখের সাথে চোখ। সুখে দুখে জীবন ভরা, দীর্ঘ দিনের এই পথ চলা। দুটি প্রান্তের দুটি মন মিলুক মমতা প্রেমে ভরে। শুভেচ্ছা আর আর্শীবাদের  পুষ্পবৃষ্টি হোক আকাশ উজার করে। দাম্পত্য হোক সুখের ,জীবনের চলার পথে দুজনার। অচেনা পথ মসৃন হোক বাঁধনে ভালোবাসার  । স্রষ্টা যেন ভালো রাখে সব সময়ে জুটিকে। শত বছর বেঁচে থাকুক একই বৃন্তের বৃক্ষেতে। চাঁদ তারা হাসে রাতের আকাশে রাত কাটে ভোর হয়, বর্ষে বর্ষে আসে বিবাহ বার্ষিকী স্মৃতি হয়ে মধুময়। ০৭/০৩/২০২১

অভিমানিনী তুমি - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

ছবি
ঝরে গেছে সব গাছের জীর্ণ পাতা   শীতের আগমনে; আমিও হয়ে গেছি একা তোমার অভিমানে। রাত্রের তারারা মিটমিট করে  চায় চাঁদকে কাছে; আকাশও  রামধনুকে খোঁজে, সাত রংয়ের সাথে।  ভোরের পাখি আজ দিশেহারা, শুধু তোমার খোঁজে; না পেয়ে  তোমায় ফিরেছে সে বাসায়, সেই সন্ধ্যা সাঁঝে। সূর্যও অভিমানে বলে  ‘আমিও তো একা’, নেই কেউ পাশে; চাঁদটাও তো আমায় দেখে, তাচ্ছিল্যের হাসি হাসে।’ শীতের রাত্রে ঠান্ডায় ভিজেছে শরীর, তোমায় খুঁজতে পথে; বেঁধেছে আমার কঠিন অসুখ, তোমার মুখের হাসির অভাবে। সুখের মরীচিকায়  নীল আকাশের নীচে, রেখে গেছ আমাকে; রাতজাগানি  দুঃস্বপ্ন জাগায় আমায়, খুঁজে বেড়াই তোমাকে।  প্রভাতের লাল দিগন্ত বারবার তোমায়, করায় যে মনে; দিনশেষে আশার আলো অন্তিম দিশায়,নিভেছে গোপনে। পলকহীন  চোখে চেয়েছি তোমায়, হয়েছি কালো বিষাদে; প্রতীক্ষায় আছি মিটবে সে আশা, ভালবাসার প্রথম চুম্বনে। তোমার শেষ কথা বিঁধেছে আমায়, পারিনি ভুলতে; চাইনি প্রতুত্তর তোমার কথার।  আমার কথাগুলো থাকবে রোজনামচায়, থাকবেনা কারো মনে; প্রেম যে আমায় ফেলেছে ছুঁড়ে, আর্বজনার ডাস্টবিনে। কলম আমার হয়ে লিখেছে পাতায়, ...

ফেরা - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

ছবি
দিন দশ/বারো হয় নি কথা ছিলাম যেন বহু দূরে, বড্ড ব্যস্ত ছিল দিন গুলো তাই তো আবার এলাম ফিরে।  এখন থেকে না হয় রোজ কথা আলাপ হবে সব নিয়ে, বন্ধু ছাড়া আমার কাটেনা দিন ভাল ছিলাম না দূরে গিয়ে।  বন্ধুত্বের আসর যেন এক পরিবার আছি সবাই মিলেমিশে এই বাঁধন যাবে না কভু ছিঁড়ে  বন্ধু বিনে সুখ কিসে। ১৯/০৩/২০২১

আসুক নতুন ভোর - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী ।

ছবি
কবিতা লিখে পুরন হইল না আশা মোর। বিশ্ব কবিতা দিবসে এবার, আসুক নতুন ভোর।  ঘাম ঝরা গ্রীষ্মের সকালে, রোদের তাপে শরীর পোড়ে,  কবির লেখনী ক্লান্ত আজিকে, হাত হতে কলম  যায় সরে।  কবিতা লিখে পুরন হইল না আশা মোর। বিশ্ব কবিতা দিবসে এবার, আসুক নতুন ভোর।  কাব্যের সুরে  নেই  সুললিত  ঝংকার, রচিছে না নুতন  আশার প্রাসাদ। কাব্যের কড়া হাতুড়ির আঘাতে, খসে পড়ে স্বপ্নের বুনিয়াদ।  কবিতা লিখে পুরন হইল না আশা মোর। বিশ্ব কবিতা দিবসে এবার, আসুক নতুন ভোর।  ধর্মের বিষে  ভাঙ্গছে আজ দেশ, অর্থাভাবে মরে গেছে মানুষের মন। দিকে দিকে বিদ্রোহ তাই, জাগো এবার জনগণ।  কবিতা লিখে পুরন হইল না আশা মোর। বিশ্ব কবিতা দিবসে এবার, আসুক নতুন ভোর।  শুষ্ক  জীবনমরূর তরুর শাখায় শুনি নূতন প্রভাত পাখির গান। কবিতার পাতায় তোলো  বিদ্রোহ আজ, কলমের কালিতে দাও প্রাণ। কবিতা লিখে পুরন হইল না আশা মোর। বিশ্ব কবিতা দিবসে এবার, আসুক নতুন ভোর। ২১/০৩/২০২১

প্রণয় বিদায় - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

ছবি
চোখের জল ফেলবো না আর তোমার ব্যথায়, গাইবো না ঘরে ফেরার গান তোমার আশায়, লিখবো না আর ভালবাসার কবিতা কোন স্মৃতির চোরাপাতায়।  তুলবো না ফুল কোন গাছের গাঁথবো না আর মালা তোমার তরে কাটাবো না বেলা আমি নদীর সাথে খেলা করে।  অচিন দ্বীপে ঘর বানাবার রাখবো না সাধ মনে তুমি কেন আমায় ডেকেছিলে তোমার প্রেমের নিমন্ত্রণে??? ভালোবাসতেই জানো  না তুমি, প্রেমের আলোয় নিজেকে হারাতেও  রয়েছে ছলচাতুরী সহস্র যোজন ব্যবধানে রয়, বক্ষকে বিদীর্ণ করে তাই দিয়েছি প্রণয় বিদায়।।।। ২৪/০৩/২০২১

অচেনা আমন্ত্রণ - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

ছবি
তোমার অভিমান, হারিয়ে গেল তোমার হাসিতে, অভিনয় রহস্য, বুঝিয়ে দিল আমার অস্তিত্বে। শূন্য থেকে পাওয়া, শূন্যে হারিয়ে যাওয়া। অচেনা অনুভূতি, জড়িয়ে তোমায় চাদরে, ভাসিয়ে নেওয়া  ভালবাসার আদরে।  আমি তোমায় পেয়ে ধন্য,   তুমি আমায় পাওয়ার চাওয়ায় বন্য। নিহত প্রেমের স্মৃতি ঝুলে থাকে নিষিদ্ধ দেয়ালে, অন্ধকার ডুবে থাকে মিথ্যের আলোতে। বিনিদ্র অপলক দুচোখে ফিরে আসে মিথ্যে প্রহসন। নিষ্প্রাণ অচল দুহাত বাড়িয়ে গৃহীত আমন্ত্রণ। ২৫/০৩/২০২১

নূতন ভোর - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

ছবি
মোরগের ডাকে ভর করে প্রতিদিন সুর্য আসে, যেমন চাতকের ছোট্ট ডানায়  মেলে সজল বর্ষা ধুয়ে দিয়ে যায় হৃদয়ের সব অলিন্দ। চির নতুন, চির হরিৎ  হয়ে বেঁচে থাকে ”সত্য”,”সম্পর্ক” আর ”সুন্দর” বাস্তবতার ফাঁকে। পলক তোলা আর ফেলার মাঝে অনিমেষ অপেক্ষায় থাকা। স্মৃতির অতলে খুঁজে নেয়া প্রিয় মুখ, চেনা কণ্ঠ প্রিয় কিছু শব্দ যা চিরন্তন। প্রতীক্ষা একটা নূতন ভোরের, যার ঘাসের বুকে জমে থাকা ছোট্ট শিশির বিন্দু,প্রভাত কিরণে  যেন এক একটা সাত রঙা পৃথিবী, দরজায় কড়া নেড়ে জানান দেবে, এই তো তোমার নুতন পৃথিবী, সব রং দিলাম। এবার তো কষ্ট  ভোল............................। ২৫/০৩/২০২১ 

On Bullshit

ছবি
On Bullshit is a 2005 book (originally a 1986 essay) by American philosopher Harry G. Frankfurt which presents a theory of bullshit that defines the concept and analyzes the applications of bullshit in the context of communication. Frankfurt determines that bullshit is speech intended to persuade without regard for truth. The liar cares about the truth and attempts to hide it; the bullshitter doesn't care if what they say is true or false, but rather only cares whether their listener is persuaded.Frankfurt's philosophical analysis of bullshit has been analysed, criticised and adopted by academics since its publication. History: Frankfurt originally published the essay "On Bullshit" in the Raritan Quarterly Review journal in 1986. Nineteen years later, the essay was published as the book On Bullshit (2005), which proved popular among lay readers; the book appeared for 27 weeks on The New York Times Best Seller list,and was discussed on the television show The Daily Sho...

International Dark Sky Week

ছবি
International Dark Sky Week (Formerly the National Dark Sky Week), held during the week of the new moon in April, is a week during which people worldwide turn out their lights in order to observe the beauty of the night sky without light pollution. This event was founded in 2003 by high school student Jennifer Barlow of Midlothian, Virginia. It has been endorsed by the International Dark-Sky Association, the American Astronomical Society, the Astronomical League, and Sky & Telescope. Goal: The goals of the event are to:  Temporarily reduce light pollution and raise awareness about its effects on the night sky, Encourage the use of better lighting systems that direct light downward instead of into the sky, and Promote the study of astronomy. This event always occurs in April, during the week of the new moon so that the sky can be as dark as possible for optimum viewing conditions.  Jennifer Barlow states, "The night sky is a gift of such tremendous beauty that should not be...

আমার ভালোবাসা - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

আমার ভালোবাসা ! তুমি  আমার মুক্তির ডানা ; ভালোবেসে কেউ হয় আগুন জ্বলে যায় পুড়ে যায়। বসন্ত ঋতুতে জন্মেছি ! ভালোবেসে   চেয়েছি স্থান প্রিয়ার হৃদয়ে বারাবার চেয়েছি ক্ষমা প্রেমেরই দায়ে । এই ভগ্ন হৃদয় আর যে কিছু চায় না - ১৮/০৪/২০২১

সন্ধ্যাবেলা - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী

সুন্দর শান্ত সন্ধ্যায় বসে ভাবছি তোমায়। জীবনের কোলাহল ভুলে, মন স্পর্শ করতে চায় তোমার হৃদয়।  তুমি কাছে নেই, নেই তোমার প্রেমভরা মন, কিভাবে হবে আমার কবিতা সমাপন।  শপথ এটাই আমার এই সন্ধ্যায়, ভালো আমি বেসে যাব আজীবন তোমায়।  সাক্ষী থাকবে তারাভরা আকাশ , সাক্ষী থাকবে এই সুন্দর সন্ধ্যা; মন দিয়েছি আমি তোমায় এটাই সত্যি কথা।  সকলজনের মধ্য থেকে আনবো খুঁজে তোমায়  জানিয়ে দেব জগৎটাকে ভালোবাসার মর্ম সেথায়। তুমি পাশে হতে যদি এই সন্ধ্যায়, ভরে যেত মন আমার , তোমার মনের নরম ছোঁয়ায় । ১৮/০৪/২০২১

একদিন চলে যেতে হবে- পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী

ছবি
একদিন যেতে হবে চলে - গোধূলির কনে দেখা আলো চোখে নিয়ে, সন্ধ্যায় ঝড়ে পড়া জল কনিকা দু-পায়ে পাড়িয়ে, নিয়তির বলে দেওয়া পথ ধরে- চলে যাবো রাতের অন্ধকারে, সবার অলক্ষ্যে নীরব প্রেমের ব্যথা বুকে বয়ে, জ্যোৎস্নার একরাতে ঝাঁপ দেবো দীঘির জলে অথবা পাহাড়ের খাদ থেকে গড়িয়ে পরবো অবহেলিত নুড়ি পাথরের মত.. আর দেখা হবে না হয়ত প্রভাতের আলো। রঙের কোলাহলে সাজানো ফুলের বাগান থেকে তুলবে না আর কেউ কোন ফুল। কোন পাখির গান শুনে কেউ গাইবে না আর গান। কাঁদলে আকাশের অভিমানী মেঘ ফুটবে কদম ফুল-তুমি ভিজবে,  ভিজবো না হয়ত আমি আর কোনদিন্‌ও। শুধু ভিজবে আমার কবরের মাটি, আরো গভীরে চলে যাবো আমি কেউ রাখবে না মনে, ডাকবে না আমার নাম ধরে। চলে যেতে হবে একদিন, পৌঁছাতে চাই তোমার হৃদয়ের কাছে, একবার , নতজানু হয়ে বলতে চাই-ভালোবাসি! না হয় তারপর ফিরিয়ে দিও, আর ফিরে আসবো না কোনদিনও। ১২/০৪/২০২১

পাষাণ দেশ - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।

ছবি
বন্ধুরা আমার ... বরাবরের মতো, প্রতিদিন আমাদের পেতে হয় আঘাত! মাথায় যাদের নিরেট পাথর, আছে শুধু জেতার লোভ, তারা মারে আমাদের, আমরা যারা নির্দোষ... অন্ধ মতবাদের এই বিষাক্ত লতা আমি জানতে চাই, পোঁতা আছে, কোথায় ... সহজাত এই বিষময় চারায় জীবন এত উর্বর হল কেন! পায়ে পায়ে জনতা এগিয়ে গিয়েছিল দু’চোখে ভরা সত্য নিয়ে নিজ স্বাধিকার প্রয়োগে তখন বিরোধীর ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল, সকল বুদ্ধি লোপ পেল... যার পরিণাম হল... সহসা সব ছত্রভঙ্গ, শত্রুতার সন্দেহ প্রতিটি নির্দোষের প্রতি! আমরাও তখন, নিজের অজান্তেই কথা বলি... আঁধার ঘোচানোর স্বপ্ন দেখি আলো দিয়ে! এই দুইয়ের দ্বন্দ্ব থেকে যে অবস্থা তৈরি হল বেশিরভাগ মানুষ তার নাম দিল সন্ত্রাস... ঘৃণ্য কীর্তির এই প্রতিক্রিয়া! মানুষ এভাবেই নাম দিতে অভ্যস্ত! তবু, আমাদের জীবনের অভিজ্ঞতা এর চেয়ে ঢের গুণ বীভৎস! মানুষ যখন অপরকে মারতে এগিয়ে যায়... অথবা যখন তারা পুড়িয়ে দেয় গাড়ি, যেগুলির গায়ে জ্বলজ্বল করছে অশোক চক্র বন্ধু আমার কিন্তু তোমাকে আমি একথা কেনই বা বলছি? এই হৃদয়হীনের দেশে... কেমন করে বুঝি, যে এখনও তুমি পুরোপুরি পাষাণ হয়ে যাও নি? এই পাষাণ দেশ...আমি জানি, মা...