প্রেমের বিজয় - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী

মানুষের জীবনের সব থেকে বড় শক্তি - তার ভালোবাসা। এই শক্তি  বহু অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলতে পারে। কিন্ত এই ভালোবাসার পথ ফুল বিছানো নয়, প্রতিটি পদক্ষেপে রয়েছে বিরোধিতা - বিত্ত ও ক্ষমতার নির্লজ্জ প্রদর্শন। তবুও এর মধ্যেই  ভালোবাসার  জয় হয় - ভালোবাসা তো ঈশ্বরের দান। 

পাখি বিবাহ - বিচ্ছেদের আইনি কাগজ পত্র পাঠিয়েছিল তপনকে। তপনও বিনা বাক্য ব্যয়ে দস্তখত করে পাঠিয়ে দিয়েছিল প্রায় কিছুদিন হল।এবার বোধহয় শুনানির এর তারিখ পড়বে। 
আসলে বেশ কয়েক বছর আগে কলকাতার এক বিখ্যাত ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ছাত্রী, ধনী বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান, পাখি  প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়ে গিয়েছিল  মেদিনীপুরের এক প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে আসা পিতৃ-মাতৃহীন নেহাৎই সাধারন একটি ছেলে তপনের । 

একই কলেজে পড়তো দুজনে। তপনের বাংলায় অনার্স আর পাখির ইংরেজিতে । কলেজের নবীন বরণ উৎসবে তপনের কবিতা পাঠ শুনে মুগ্ধ হয়েছিল পাখি ।নিজেই গিয়ে পরিচয় করেছিল তপনের সাথে। 

তপন প্রথম প্রথম দূরে থাকার চেষ্টা করলেও পাখির মত এমন নিরহংকারী  ভালো মনের মেয়ের ভালোবাসা থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারল না। আসলে ভালোবাসা তো কারো অনুমতি নিয়ে আসে না, আবার ভালোবাসাকে তুমি চলে যাও বললেই ভালোবাসা কথা শুনে বিদায় নিয়ে চলেও যায় না। তাই প্রেম অনুরাগের সীমানা ছাড়িয়ে,  বসন্তের আবেশে, ভালোবাসায় ভরিয়ে দিলো তাদের জীবন। সেই আবেগকেই সঙ্গে নিয়ে, কেটে গেল,  কলেজ এবং ইউনিভার্সিটির কয়েকটা বছর। 

পোস্ট গ্রাজুয়েশন শেষ হবার কিছুদিনের মধ্যেই তপন একটা স্কুলে চাকরি পেয়ে গেল। পাখি অবশ্য তখনো চাকরি পায় নি।   কারন স্কুলের চাকরি পাখির পছন্দ ছিল না।
কিন্তু এবার ঘটলো ছন্দপতন। বসন্তের আবেশ সরিয়ে,  পাখি  দুচোখ ভরা অভিমানের বর্ষা নিয়ে,  তপনের কাছে এসে বলল 

"একটা বড় সমস্যা হয়ে গেছে। বাবা তার এক বন্ধুর ছেলে, সেও হাইকোর্টের উকিল, ধনী পরিবার, উচ্চ বংশ, তার সাথে আমার বিয়ে ঠিক করে ফেলেছেন। সামনের এক বা দুই মাসের মধ্যেই তারা আমার বিয়ে দিতে চান।" 

আসলে পাখির বাবা সন্তোষ রায়ও হাইকোর্টের একজন নামকরা উকিল। 

আমি অবশ্য বলে দিয়েছি "যে আমি এই বিয়ে করতে পারবো না,আমি শুধু  তোকে ভালোবাসি।"
"তা শুনে ওনারা কি বললেন?"
"ওনারা বদ্ধপরিকর এই সম্পর্ক কখনো মানবেন না।সমাজে ওদের একটা মান সম্মান আছে।সামান্য একজন বাংলা স্কুল টিচারের সাথে তারা কোনমতেই তাদের মেয়ের বিয়ে দিতে চান না।" 

"সেটাই তো স্বাভাবিক পাখি । পুরুষের আর্থিক সামর্থ্য বিয়ের জন্য বড় কথা। তুই ওনাদের একটু বুঝিয়ে বল যদি আমাকে একটু সময় দেন তাহলে আমি একটু গুছিয়ে নিতে পারি।" 

"যদি ওনারা তোকে না মানেন? আমি তোকে খুব ভালোবাসি তপন ,তোকে ছেড়ে থাকতে পারবো না।আসলে পরিবার সব সময় চায় প্রেমটা যেন নিজ বৃত্তে, নিজ ধর্মে, সমবিত্ত সম্পন্ন কোন ছেলের সাথেই হয়।কিন্তু সেটা কি করে সম্ভব বল?লাভ ইজ নট এ ট্যালেন্ট হান্ট,তাই না? 

"তুই তো ওনাদেরকেও খুব ভালবাসিস পাখি ।ওনারা তোকে কষ্ট করে মানুষ করেছেন। সম্পর্কের এ এক বড় টানাপোড়েন।"
"কষ্ট করে মানুষ করেছেন বলে আমার ভালোবাসাটা বুঝবেন না? সবকিছু কি সবসময় সমানে সমানে হয়?" 

"তাও ওনাদেরতো বোঝানোর চেষ্টাটা আমাদের করতেই হবে।তেমন হলে না হয় আমি গিয়ে তোর বাবার সাথে দেখা করব। ওনাকে অনুরোধ করবো।"
"ঠিক আছে তুই না হয় একবার চেষ্টা করে দেখ।।" 

এরপর একদিন তপন গেল পাখির বাবার কাছে।অনুরোধ করলো তাকে একটু সময় দেওয়ার জন্য।উনি রাজি হলেন না। উল্টে রাগত ভাবে বললেন "তুমি কি ভালোবাসার জন্য আমার সাথে যুদ্ধে নামতে চাও?" তপন বলল "ভালোবাসা তো কখনো যুদ্ধ চায় না স্যার,ভালোবাসা তো ভালোবাসতেই চায়। এই আর্থ-সামাজিক বৈষম্য ভালোবাসাকে যুদ্ধের মুখে ঠেলে দিয়েছে যুগ যুগ ধরে।" 

"বৈষম্য তো থাকবেই।সেটাই তো স্বাভাবিক।আমি এমন চালচুলোহীন, পিতৃ-মাতৃহীন ছেলের হাতে মেয়েকে দিতে পারব না।" 

এবার তপন হেসে বলল 
"মেয়েকে দেবেন কি স্যার? পাখি কি একটা বস্তু নাকি?ও একজন যথেষ্ট শিক্ষিত মানুষ। আর বিয়ে তো একজন মানুষের সাথে মানুষেরই হয়।" 

"আসলে তো এই ভালবাসার অন্তরালে আছে অর্থের লোভ,হাই সোসাইটিতে ওঠার চেষ্টা।আত্নসম্মানে আঘাত লেগেছিল সেদিন তপনের গভীর প্রত্যয়ে বলেছিল 
"ক্ষমা করবেন স্যার।আমরা একে অপরকে ভালোবেসেছি,আমরা ভালো থাকবো, একে অপরকে ভালো রাখবো।" 

এরপর কয়েকজন বন্ধুর উপস্থিতিতে রেজিস্ট্রি এবং মালাবদল করে ওদের বিয়ে হয়।শহরতলীতে একটা ছোট দু কামরার ঘর ভাড়া নিয়ে শুরু হয় তাদের ভালোবাসার রঙ্গীন সংসার।সুখেই চলছিল তাদের যৌথ জীবন যাপন। তপন চেষ্টা করছিল একটু সঞ্চয় করে এবং ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে একটা ছোট ফ্ল্যাট কেনার। 

একটু অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের জন্য তপন চাকরির পরেও  একটা দুটো প্রাইভেট টিউশনি নিলো। কোন কোন দিন হাঁটতে হাঁটতে ফিরে অটোর ভাড়া বাঁচাতো। কিন্তু ফিরে এসেই পাখির ওই সদাহাস্যময়ী মুখটা দেখে তপনের সব ক্লান্তি নিমেষে উধাও হয়ে যেত।ভালোবাসা বোধ হয় এক সঞ্জীবনী সুধা -  কষ্টেও প্রাণ জুড়িয়ে দেয়।পাখি কোনদিনই রন্ধন পটীয়সী ছিল না।বরং  বাড়িতে কখন তাকে কোনো কাজ করতে হত না,তাই প্রধান রান্নার দায়িত্বটা ছিল তপনের ওপর। তপন বলতো কলমের, চাকরির আর পরীক্ষার যদি কোন লিঙ্গ না হয় তাহলে খুন্তিরই বা কেন হবে? 

এরপর পাখি একটা  বিজ্ঞাপনের এজেন্সিতে চাকরি পায়। পাখির চাকরি পাওয়ার খবর শুনে পাখির বাবা-মা হাজির হন তার সাথে দেখা করতে। পাখিও অনেকদিন পর বাবা মাকে পেয়ে খুব খুশি। তবে পাখিকে এমন একটা ছোট ভাড়া বাড়িতে থাকতে দেখে তাদের বেশ মানসিক কষ্ট হয়। 

এরপর সন্তোষ বাবু একদিন এসে  তাদেরকে বলেন"এত কষ্ট করে তোমাদের এখানে থাকার দরকার নেই।আমাদের তো একটা ফ্ল্যাট ভবানীপুরে কেনা আছে তোমরা বরং দুজনে সেখানে গিয়ে থাকো। নিজেদের বাড়ি, আয়তনেও এর থেকে  অনেকটাই বড়। আরাম করে থাকতে পারবে - তাছাড়া ভাড়াও লাগবে না। বাড়িটাও ব্যবহার যোগ্য থাকবে। " 

শুনে পাখির মুখটা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে আনন্দে সে তপনের সাথে কোন আলোচনা না করেই তার বাবার কথায় সম্মত হয়ে যায়।
কিন্তু এবার সকলকে অবাক করে দিয়ে তপন বলে 

"মাপ করবেন,আমরা এখনই আপনার ফ্ল্যাটে গিয়ে থাকতে পারব না। কিছুদিনের মধ্যেই হয়তো আমরা নিজেরাই একটা ছোট ফ্ল্যাট  কিনতে পারব। তেমন হলে না হয়,পাখি মাঝে মাঝে আপনাদের বাড়িতে গিয়ে আপনাদের সঙ্গে দেখা করে আসবে।" 

এবার সন্তোষবাবু বললেন "তার মানে তুমি আমাদের ওই ফ্ল্যাটে থাকবে না?" 
"না, কখনোই না।"
কথাটা বলেই তপন ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।
এবার সন্তোষবাবুও বেশ মনোক্ষুন্ন হয়েই চলে গেলেন। পাখির খুব খারাপ লাগলো এই ঘটনায়।এরজন্য দুজনেই দুজনকে দুজনের ক্ষোভের কারণ মনে করে মনে মনে দোষারোপ করতে থাকলো। এরপর থেকেই  তপন আর পাখির মধ্যে ক্ষোভের বিষবৃক্ষ তাঁদের অজান্তে মহীরূহ হয়ে  উঠতে লাগলো এবং ক্রমশ দূরত্ব বাড়তে থাকলো। 

এরপর পাখি একদিন তপনকে বলল "আমার বাবা-মা,  আমাদের বিয়েটাকে মেনে নেয় নি বলে,  তুই কি আমার বাবা-মায়ের ওপর প্রতিশোধ নিচ্ছিস?  কিন্তু ভালোবেসে বিয়ে করেছি বলে, আমারও যে ইচ্ছে অনিচ্ছার দাম থাকবে না এমনটা তো নয়? আমার ইচ্ছেটাকে,  তোরও সম্মান করা উচিত।"  আসলে তপন বিয়ের আগে তার বাবার বলা কথাগুলো পাখিকে কখনো জানায়নি তাই বলল -"ঠিক আছে তোর যদি আমার সিদ্ধান্তটাকে ভুল মনে হয়, তাহলে তুই সচ্ছন্দে তোর বাবা-মার কাছে গিয়ে থাকতে পারিস। আমি কোন ভাবেই,  নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দেব না।" 

এরপর ধীরে ধীরে সম্পর্কের মধ্যে এল
তিক্ততা। একদিন পাখি রাগ করে সত্যিই ব্যাগ গুছিয়ে চলে গেল নিজের বাবা-মায়ের কাছে। তপন পাখিকে একবারও আটকালো না, বোঝানোর নূন্যতম চেষ্টাও করলো না। 

খুব কষ্ট হল পাখির । তবে পাখির বাবা-মা বোধহয় এই দিনটার জন্যই অপেক্ষা করছিলেন। তারা পাখিকে বোঝালেন - "এখনো খুব বেশি দেরি হয়নি। তুমি ভালো চাকরি করছো। তপনকে ডিভোর্স দিয়ে নিজের জীবনটা সুন্দর করে গুছিয়ে নাও।" 

বড় বিষন্ন পাখি । তপন তার অভিমানের ভাষাটা বুঝলো না।ভালোবাসা কি এমন ভাবেই ভেতরে ভেতরে পুড়িয়ে দেয়, হৃদয় ভেঙে গুড়িয়ে দেয়। তার ভালোবাসা কি তাহলে হেরে যাবে? না কিছু একটা করতে হবে। রাগ করে পাখি ডিভোর্সের পেপারগুলো, পাঠিয়ে দেয় এই ভেবে,  যে এবার নিশ্চয়ই তপন তার কাছে আসবে। তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চাইবে। 

কিন্তু এসবের কোন কিছুই হলো না। তপন সই করে দিলো ডিভোর্স পেপারে। আসা তো দূরের কথা একবার ফোন বা মেসেজ কিছুই    করলো না। 

অভিমানী মেঘে ঢেকে গেল পাখির মনের ঘর। মনে মনে ভাবলো, এত নিষ্ঠুর তপন ? 

এরপর পাখি নিজেই ফোন করে তপনকে বলল "সামনের রবিবার আমি যাব। আমার জিনিসপত্রগুলো নিয়ে আসবো।" 

তপন বলল "ঠিক আছে আসিস,নিয়ে যাস। রবিবার বেলার দিকে একটা ছোট ব্যাগ নিয়ে পাখি এল তপনের কাছে। এতদিন পর তপনকে দেখে অনেক কষ্টে নিজের চোখের জলকে, সংবরণ করে বলল,"তুই খুব খুশি তাই না রে? কি সুন্দর ডিভোর্স পেপারে সই করে দিলি।"
"তোকে তো অদেয়  আমার কিছুই নেই।শুধু আত্মসম্মানটুকু বিসর্জন দিতে পারি নি।" 

"আর আমাকে খুব সহজেই বিসর্জন দিয়ে দেওয়া যায়।" 

"ভালোবাসার বিসর্জন হয় না, ভালোবাসার সমাপ্তি ঘটে না।"
এবার পাখি হঠাৎ বলল "কি রান্না করছিস রে তুই,আমার খুব খিদে পেয়েছে?" 
তপন বলল "ভাত আর ডিমের ঝোল।তবে ডিম কিন্তু একটাই আছে।" 

"ঠিক আছে তুই ডিমটা খাস।আমি শুধু আলু ঝোল দিয়েই খেয়ে নেব।" 

"কিন্তু খেয়ে যেতে গেলে তো অনেক দেরি হয়ে যাবে। তোর বাড়িতে হয়তো সবাই চিন্তা করবে।" 

"তাড়িয়ে দিচ্ছিস আমাকে? জানিস আমি কতদিন ভালো করে খাইনি, ঘুমোইনি।"এবার তপন পাখির খুব কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করল, "কেন খাস নি,ঘুমাস নি তুই তো ভাল থাকবি বলেই গিয়েছিলি?"
"তুই বুঝি খুব ভালো ছিলি?"
"জানিস তো পাখি ,চোখ কাঁদে অনেক পরে,আগে কাঁদে অন্তর।তোকে ছেড়ে আমি ভালো থাকবো এটা তুই ভাবলি কি করে?" 

তুই জানিস আজকের দিনটা কি? এবার তপন পাখির কানের পাশ থেকে চুলটা সরিয়ে পাখির লালচে গোলাপী ঠোঁটে ঠোঁট ছোঁয়ালো তারপর আস্তে করে বলল 'শুভ চুম্বন দিবস'।"
"তোর মনে আছে?"
হ্যাঁ,যা এবার ঘরে গিয়ে চেঞ্জ করে আয়। আমি টেবিলে খাবার আনছি।"
ঘরে গিয়ে পাখি অবাক হয়ে গেল। 

বিছানার উপরে রাখা আছে একটা সুন্দর টেডি। বিছানার পাশের টেবিলে রাখা আছে অনেক গুলো চকলেট।আর একটা গোলাপের তলায় রাখা আছে একটা কাগজ। সেটা তুলে পড়তে শুরু করল তিতির,সৌরভ লিখেছে 

"অনন্ত বিরহ দিলেও 
আমি তোমারই থাকবো 
অনন্ত বিরহ পেলে 
আমার মনকে যাচাই করে নেব কষ্টিপাথরে, তুমি আমাকে অনন্ত বিরহ দিও 
তবুও তোমাকেই আমি ভালোবাসতে চাই নিখাদ প্রেমে।" 

এবার পাখি কাঁদতে কাঁদতে দৌড়ে এসে ঝাপিয়ে পরল তপনের বুকে। তপনও শক্ত করে পাখিকে জড়িয়ে ধরল ওর বুকের মধ্যে,তারপর বলল "কাঁদছিস কেন? দেখ, ভালোবাসা কেমন জিতে গেল ক্ষমতার কাছে, বিত্তের কাছে। এই দিনটার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। এটা তো আমার ভালোবাসার পরীক্ষা ছিল রে।" 

এবার পাখির চোখ গেল খাবার টেবিলের দিকে চিকেন কষা,ফ্রাইড রাইস,আলুর দম আইসক্রিম এ সবই তো পাখির প্রিয় খাবার।"তুই যে বললি শুধু ডিমের ঝোল আর ভাত রান্না করেছিস।এগুলো তো সবই আমার প্রিয় খাবার।তার মানে তুই সব বুঝতে পেরে গিয়েছিলি?" 

"হ্যাঁ, তুই যেমন অত ছোট একটা ব্যাগ নিয়ে চলে এসেছিস তোর সব জিনিস নিয়ে যেতে। আমি কি জানি না তুই এখানে থেকে যাবি বলেই ব্যাগে শুধু তোর নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস গুলোই এনেছিস।আমাদের ভালোবাসা জিতে গেছে পাখি ।"
তপনের  বুকে মাথা রেখে ভালোবাসার আবেগে ভেসে চলল পাখি। 

এমন ভাবেই ভালোবাসা জিতে যাক ধর্মের কাছে,ক্ষমতার কাছে,বিত্তের কাছে জাতিভেদের কাছে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

একলা চলার মহিমা।

ডায়েরির পাতায় আপনার চিন্তা প্রকাশের কৌশল।

পুরোনো বইয়ের দোকান।