ক্ষনিকের পরিচয় - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।
: এই যে দিদি -আপনার নামটা জানতে পারি ?
: আমার নামঃ মিস সুন্দরী মানসী শিল্পী ।
: আমি শুধু আপনার নামটাই জিজ্ঞেস করেছি; আপনাদের তিন বোনের নয়, শুধু আপনার।
: ঐ ছেলে , ফাজলামী কর না , এইটাই আমার একার নাম, আমি কি বলছি তিন জনের!
: তাহলে তো সরকারের কাছে অভিযোগ জানাতে হয়।
: কেন?
: যাদের একটির বেশী নাম; তাদের কাছ থেকে যেন সরকার ট্যাক্স আদায় করে।
: আপনার সমস্যা'টা কী?
: সমস্যা আমার নয়, পুরো দেশের, এভাবেই যদি প্রত্যেকে একের অধিক নাম বুক করে রাখে; তাইলে অদূর ভবিষ্যতে দেশ নামের সংকটে পরবে; আর তখন হয়তো নামের অভাবে নাম রাখতে হইবে,– তেজপাতা, ধনে গুঁড়ো , সরিষা ফুল; আরও কতো কী!
: হা-হা-হা, হাসালেন আমাকে!
: আরও হাসেন, আপনার হাসিটা খুবই সুন্দর।
: থ্যাংকস।
: হুম, ওয়েলকাম। খুশী হবো, যদি দুটো নাম মুক্তি দিয়ে একটি নাম রাখেন।
: কেন !
: কারণ, কি নামে যে আপনাকে ডাকি, সেটাই ভেবে পাচ্ছিনা।
: ও, তাই; পুরো নামেই ডাকেন।
: আসলে তিনটি নামে একসঙ্গে ডাকতে একটু দ্বিধা দ্বন্দে পড়তে হয়।
: কেন ?
: ধরুন, এই বাসেই সুন্দরী , মানসী , শিল্পী , নামের তিনটি মেয়ে আছে। যখন 'সুন্দরী ' নামে ডাকবো, তখন আপনি ফিরে তাকালেন।
যখন 'মানসী ' বলে ডাকবো, তখন মানসী বললো, ‘ আমাকে ডাকছেন ।’
যখন 'শিল্পী ' নামটা উচ্চারণ করবো; তখন শিল্পী কিনা বলেই ফেললো, ‘ এই হারামজাদা, খালি মেয়েদের নাম ধরে ডাকছিস কেন ; এখানে সবাই কি তোর বান্ধবী; কানের উপরে একটা দেবো।’
তখন আমার লজ্জায় নাক কাটা পরবে, তাছাড়া তিনটি নাম একত্রে ডাকতে অনেক সময় নষ্ট হয়; আর সময়ের অপচয়কারী বলেই আপনাকে একটি নামেই ডাকতে চাই।
: হাহাহা, আপনি তো খুব মজার লোক !
: সেটা আমিও জানি, কোন নামে ডাকবো তাই বলেন।
: আচ্ছা ঠিক আছে, আপনি আমাকে সুন্দরী নামেই ডাকতে পারেন।
: অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দরী ।
: আচ্ছা, আমার নামটা নিয়ে তো এতক্ষণ খুবই টানা- হ্যাঁচড়া করলেন। আপনার নামটাই তো জানা হলোনা।
: আমার নাম রঞ্জন ।
: সুন্দর নাম, আচ্ছা রঞ্জন, আমি সামনেই নেমে যাচ্ছি; আপনার সাথে পরিচিত হতে পেরে আমি খুশী। এবার আসি তাহলে।
মেয়েটি গাড়ি থেকে নেমে গেলো।
রঞ্জন গাড়ির জানালা দিয়ে মাথা বের করে মেয়েটির দিকে চেয়ে রইলো। হঠাৎ মেয়েটি পেছনে ফিরে চাইতেই রঞ্জনের চোখে চোখ পড়লো। দুজনের ঠোঁটের কোনেই ফুটে উঠল হাসির রেখা।
মেয়েটি আবার এগিয়ে চললো তার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে। আর রঞ্জনকে নিয়ে ছুটে চললো বাসটা।
দুজনের ভেতরেই কেমন যেন একটা চাপা কষ্ট রয়ে গেল। অনেক কথাই হয়তো বলার ছিলো। কিন্তু দুজনের গন্তব্য, দুজনকে দুই দিকে টেনে নিয়ে গেল। তবু হয়তো স্মৃতির পাতায় দুজনেরই রয়ে যাবে এই স্মৃতি, ক্ষনিকের পরিচয়।
: আমার নামঃ মিস সুন্দরী মানসী শিল্পী ।
: আমি শুধু আপনার নামটাই জিজ্ঞেস করেছি; আপনাদের তিন বোনের নয়, শুধু আপনার।
: ঐ ছেলে , ফাজলামী কর না , এইটাই আমার একার নাম, আমি কি বলছি তিন জনের!
: তাহলে তো সরকারের কাছে অভিযোগ জানাতে হয়।
: কেন?
: যাদের একটির বেশী নাম; তাদের কাছ থেকে যেন সরকার ট্যাক্স আদায় করে।
: আপনার সমস্যা'টা কী?
: সমস্যা আমার নয়, পুরো দেশের, এভাবেই যদি প্রত্যেকে একের অধিক নাম বুক করে রাখে; তাইলে অদূর ভবিষ্যতে দেশ নামের সংকটে পরবে; আর তখন হয়তো নামের অভাবে নাম রাখতে হইবে,– তেজপাতা, ধনে গুঁড়ো , সরিষা ফুল; আরও কতো কী!
: হা-হা-হা, হাসালেন আমাকে!
: আরও হাসেন, আপনার হাসিটা খুবই সুন্দর।
: থ্যাংকস।
: হুম, ওয়েলকাম। খুশী হবো, যদি দুটো নাম মুক্তি দিয়ে একটি নাম রাখেন।
: কেন !
: কারণ, কি নামে যে আপনাকে ডাকি, সেটাই ভেবে পাচ্ছিনা।
: ও, তাই; পুরো নামেই ডাকেন।
: আসলে তিনটি নামে একসঙ্গে ডাকতে একটু দ্বিধা দ্বন্দে পড়তে হয়।
: কেন ?
: ধরুন, এই বাসেই সুন্দরী , মানসী , শিল্পী , নামের তিনটি মেয়ে আছে। যখন 'সুন্দরী ' নামে ডাকবো, তখন আপনি ফিরে তাকালেন।
যখন 'মানসী ' বলে ডাকবো, তখন মানসী বললো, ‘ আমাকে ডাকছেন ।’
যখন 'শিল্পী ' নামটা উচ্চারণ করবো; তখন শিল্পী কিনা বলেই ফেললো, ‘ এই হারামজাদা, খালি মেয়েদের নাম ধরে ডাকছিস কেন ; এখানে সবাই কি তোর বান্ধবী; কানের উপরে একটা দেবো।’
তখন আমার লজ্জায় নাক কাটা পরবে, তাছাড়া তিনটি নাম একত্রে ডাকতে অনেক সময় নষ্ট হয়; আর সময়ের অপচয়কারী বলেই আপনাকে একটি নামেই ডাকতে চাই।
: হাহাহা, আপনি তো খুব মজার লোক !
: সেটা আমিও জানি, কোন নামে ডাকবো তাই বলেন।
: আচ্ছা ঠিক আছে, আপনি আমাকে সুন্দরী নামেই ডাকতে পারেন।
: অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দরী ।
: আচ্ছা, আমার নামটা নিয়ে তো এতক্ষণ খুবই টানা- হ্যাঁচড়া করলেন। আপনার নামটাই তো জানা হলোনা।
: আমার নাম রঞ্জন ।
: সুন্দর নাম, আচ্ছা রঞ্জন, আমি সামনেই নেমে যাচ্ছি; আপনার সাথে পরিচিত হতে পেরে আমি খুশী। এবার আসি তাহলে।
মেয়েটি গাড়ি থেকে নেমে গেলো।
রঞ্জন গাড়ির জানালা দিয়ে মাথা বের করে মেয়েটির দিকে চেয়ে রইলো। হঠাৎ মেয়েটি পেছনে ফিরে চাইতেই রঞ্জনের চোখে চোখ পড়লো। দুজনের ঠোঁটের কোনেই ফুটে উঠল হাসির রেখা।
মেয়েটি আবার এগিয়ে চললো তার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে। আর রঞ্জনকে নিয়ে ছুটে চললো বাসটা।
দুজনের ভেতরেই কেমন যেন একটা চাপা কষ্ট রয়ে গেল। অনেক কথাই হয়তো বলার ছিলো। কিন্তু দুজনের গন্তব্য, দুজনকে দুই দিকে টেনে নিয়ে গেল। তবু হয়তো স্মৃতির পাতায় দুজনেরই রয়ে যাবে এই স্মৃতি, ক্ষনিকের পরিচয়।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন