লোভের ফল - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।
সৃষ্টির সেই আদিকাল থেকেই বৃষ্টির সাথে আমাদের জীবনের প্রেম- বিরহের সম্পর্ক। বৃষ্টি আমাদের আবেগকে আপ্লুত করে। তাই বৃষ্টির দিন প্রেম-বিরহ-ভালবাসার দিন।অঝোর ধারার বৃষ্টি যেন প্রেমিকের হৃদয়ে বিরহের ধারা বহন করে। বৃষ্টিকালের এই বর্ষণ সংবেদনশীল মানুষের হৃদয়ের চরিত্রকে রসসিক্ত করে তোলে ।তখন তার মনে পড়ে যায় সুখ অথবা দু:খময় অতীত।
গ্রীষ্মের দাবদাহে প্রকৃতি যখন অস্থির হয়ে ওঠে। যখন খাঁ খাঁ রোদ্দুরে পোড়া থাকে মাঠ-ঘাট, গরমে মানুষের জীবন অতিষ্ঠ ,চতুর্দিকে শুকনো জলাশয়। যখন তৃষ্ণার্থ চাতকের বৃষ্টির জন্য করুণ আকুতি।তখনই বৃষ্টি বিরহের বার্তা নিয়ে এগিয়ে আসে।
বৃষ্টির ফোঁটাগুলো যখন একে অপরের সঙ্গে মিশে একাকার হয়ে যায়। তখন বৃষ্টির ফোঁটার একে অপরের মধ্যে বিলীন হওয়াতেই বৃষ্টির সার্থকতা। রিমঝিম শব্দে যখন বৃষ্টি পড়ে তখন গীতল সুরে শোনা যায় বৃষ্টির অর্কেস্ট্রা। বৃষ্টি মানেই মিলনের শঙ্খধ্বনি। এমন একটি বৃষ্টিমুখর মিলনমুহূর্ত রচনার জন্যই ব্যাকুল প্রতীক্ষা ছিল সমুদ্রের । সেই প্রতীক্ষাই কাল হলো। সমুদ্র - তিথির নীরব কণ্ঠনিঃসৃত অবুঝ শব্দমালা পরস্পরকে আলিঙ্গনের পরিবর্তে আক্রমণ করল। শব্দে শব্দে ঘর্ষণ হলো, মিলন হলো না। সেই থেকে বৃষ্টি আর মিলনের শঙ্খধ্বনি নয়, বিরহের আবাহন সৃষ্টি হয় দু’জনের জীবনে। সমুদ্র সৈকতে একাকী বসে অতীতের স্মৃতিচারণ করছে সমুদ্র । স্মৃতিগুলো মনের দুয়ারে উঁকি ঝুকি মারছে- সমুদ্রের ।
বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না,দূরেও সরিয়ে দেয়-কথাটা আজ সত্য হতে চলেছে সমুদ্রের জীবনে।
অঝোরধারার বৃষ্টি সমুদ্রের কাছে আজ তার প্রেমিকার কান্না বলে মনে হয়।
সমুদ্র তার প্রেমিকার সাথে পাশাপাশি হেঁটে অনেক বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়েছে। কথা ছিল বন্ধুর পথ পেরিয়েই শুরু করবে তাদের মসৃন পিচঢালা পথের মত জীবন।সুখের স্বপ্ন দেখতো সমুদ্র - তিথি দু’জনেই।কিন্তু যখন বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে মসৃন পথে এসে দাঁড়িয়েছে,তখনই দু’জনার দু’টি পথ আলাদা হয়ে যায়।স্বপ্নের সূতো ছিঁড়ে যায় ব্যক্তি স্বার্থের কড়িতে।এভাবেই ছিঁড়ে যায় সব বন্ধন,ভালবাসার হয় মরণ।
সমুদ্র যখন পথ খুঁজে না পেয়ে তিথিকে নিয়ে একসাথে মসৃন পথের আশায় বন্ধুর পথে অনেক বাঁধা অতিক্রম করে পাড়ি জমিয়েছিল,ঠিক তখনই ছিঁড়ে যায় সব বন্ধন।নিষ্ঠুর এই পিচঢালা জনপথ।অর্থ এবং স্বার্থের কাছে ভালবাসাও খুন হয়।
সমুদ্র ও তিথি দু’জনেই শহরে একটি কলেজে এক সাথে লেখাপড়া করে। দু’জনেই মধ্যবিত্ত পরিবারের ।তিথির চেহারা খুই সুন্দর ,তদুপরি দুধে আলতা দেওয়ার মত গায়ের রং।চৌকিত হরিণী মত। স্লিম ফিগার । সহজেই সবার মন কেড়ে নেয়।
দু’জনেই প্রেমের জোয়ারে ভাসছিল।একদিন..................................
তিথি , সমুদ্রকে বলল,“ আর কতদিন এভাবে আমরা প্রেমের জোয়ারে ভাসবো? চল বিয়ে করে ফেলি।“
তিথির এভাবে কথা বলা দেখে সমুদ্র শুধু অবাকই হল না। তিথি সম্পর্কে বিরূপ মনোভাব জেগে উঠল।কারণ এখনো তাঁদের লেখাপড়াই শেষ হয় নাই। অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করছে। সামনে ফাইনাল পরীক্ষা। এরপর পাশ করলে একটা চাকুরী জোগাড় হবেই। তারপর না হয়,সংসার বাঁধব। এগুলো সমুদ্রের চিন্তা।তাছাড়া ইদানিং তিথির চালচলনও পছন্দ না,সমুদ্রের কাছে।মধ্যবৃত্ত মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে হয়েও তিথির চলাফেরা বিত্তশালী পরিবারের মেয়েদেরকেও হার মানায়।
বর্তমান আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে অনেক অর্থের প্রয়োজন। যার অনেকটাই ভালবাসার খাতিরে সমুদ্রকেই জোগাড় করতে হয়। দিন দিনই তিথির আকাঙ্খা বেড়েই চলেছে।নতুন নতুন বন্ধুর সাথে মেলামেশাও করছে আজকাল তিথি ।
রুপচর্চা যেন নিত্য দিনের কাজ ।প্রতিদিনই নিজেকে নতুন করে আবিস্কার করতে চায় তিথি । অনেকেরই মন কাড়তে চায় আজকাল।কেন এমন করছে তিথি ? মনে সবসময় প্রশ্ন সমুদ্রের । কিন্তু কাওকে কিছু বলতেও পারছে না।তিথিকে তো নয়ই। কারন তিথি ইদানিং সমুদ্রের নাগালের বাইরে।
শহরে কলেজে ভর্তি হবার পর থেকেই দু’জনের মধ্যে খুব ভাব জমে উঠে। একদিন বিকেলে পার্কে বেড়াতে বেড়াতে সন্ধ্যা হয়ে যায়। আকাশে খুব মেঘ জমেছিল।বাসায় ফেরার সময় ভীষণ বৃষ্টি হচ্ছিল,সেই সাথে মেঘের গর্জনের সাথে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছিল।বৃষ্টিতে দুজনেই ভিজে যাচ্ছিল। বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে পথ দিয়ে আসার সময় একটি প্রাইভেট কার তাদের কাছে এসে থামে।কার চালক বলে, ”আপনারা কোথায় যাবেন,আসুন পৌঁছে দেই।“
গাড়ির চালকের বলার ভঙ্গি সমুদ্রের ভাল লাগছিল না। বার বার তিথির ভেজা শরীরের দিকে তাকাচ্ছিল।চোখে প্রেমের আবেদন শোভা পাচ্ছিল।ব্যাপারটা সমুদ্রের অন্তরকে ক্ষত বিক্ষত করে তুলেছিল।কিন্তু তিথি কেমন যেন করছিল,মনে হয় তাকে আগে থেকেই চেনে।তিথিও তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছিল।
”চল না গাড়ীতে যাই।” বলল তিথি ।
কেন ? এটা তো ভাড়া গাড়ী নয়। এটা প্রাইভেট কার।আর তাছাড়া ওনাকে তো চিনি না।“ বলল সমুদ্র ।
কিন্তু তিথি নাছোড়বান্দা ,ঐ গাড়ীতেই যাবে সে।সমুদ্র একটু চিন্তায় পড়ে গেল। কারন একে তো অন্যের মন কাড়ার মত চেহারা তিথির । যদি খারাপ কিছু হয় ওদের সাথে।
ভাবতে ভাবতে সমুদ্র ,তিথির পীড়াপীড়িতে দু’জনেই গাড়িতে গিয়ে বসল। তারপর গাড়িটি চলতে শুরু করে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে।
মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। সমুদ্রের মন বিষন্ন। সামনে কি কিছু একটা ঘটতে চলেছে? আজ কেন জানি তিথিকে হারাবার ভয় বার বার মনে উদয় হচ্ছে। কিন্তু কেন ? এমন তো কিছু ঘটেনি যে এতো কিছু চিন্তা করতে হবে? বার বার নিজের মনকে প্রশ্ন করছে সমুদ্র । সমুদ্রের দৃষ্টিতে বৃষ্টির জল যেন তিথিকে হারানোর বিরহের ব্যথায় নয়নের জল হয়ে অঝোরে ঝরে পড়ছে।
তিথির মনে কোন চিন্তাই নেই। মিষ্টি হাসি তিথির চোখে মুখে।বৃষ্টির শব্দে একদিকে যেমন তিথির মধুর হাসি আবার অন্যদিকে সমুদ্রের বিরহের জ্বালা সাথীকে হারানোর আশংকায় । যদিও তেমন কিছু ঘটেনি। এগুলো সমুদ্রের সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত চিন্তা মাত্র।
এতোদিন সমুদ্র নিজের লেখাপড়ার খরচের পাশাপাশি তিথির চাহিদা পূরণ করে চলেছে ভবিষ্যতে একটা সুন্দর সংসার বাঁধার চিন্তায়। সবসময় ভয়, এতো সুন্দরী একজন মেয়ে অবশেষে হাতছাড়া হয়ে না যায়।অপূর্ব সুন্দরী তিথি । স্রষ্টা যেন নিজ হতে সুনিপূণ ভাবে গড়েছে তিথিকে।সবসময়েই তিথি ,সমুদ্রের সন্দেহের তালিকায়।
বৃষ্টির মধ্যেই তিথির গন্তব্য স্থলে পোঁছাল। দু’জনেই গন্তব্য স্থলে নেমে গেল। নামার সময় তিথি গাড়ির চালকের দিকে তাকিয়ে একটা মুচকি হাসি দিয়ে নেমে গেল। গাড়ির চালকও "হাই তিথি " বলে সম্বোধন করল। এতে সমুদ্রের সন্দেহ আরও বেড়ে গেল।তাহলে তিথি আগে থেকেই চিনত নাকি গাড়ির চালককে ? সমুদ্রের মনে প্রশ্ন জাগছে। কিন্তু কিছুই বলছে না সমুদ্র । সমুদ্রও গাড়ির চালককে ধন্যবাদ দিয়ে বৃষ্টি মধ্যে ভিজেই তিথিকে হোষ্টেলের দিকে এগিয়ে দিয়ে চলে আসল। আসবার সময় তিথি কিছুই বলল না। আজ এতো নি:শ্চুপ কেন তিথি ? সমুদ্র মনে মনে ভাবতে লাগল। এই তো কিছুক্ষণ আগেই অনেক হাসি খুশি ছিল তিথি ! তবে গাড়ী থেকে নেমে যাওয়ার পর তিথির মুখটা বিষন্ন লাগছে কেন ? এতোদিন বন্ধুর পথে এগিয়ে এসে মসৃন পথে পা রাখতে চলেছি আর সেই সময় কি আমাকে বিরহের জ্বালা পোহাতে হবে? ভাবছে সমুদ্র ।
সমুদ্র মেসে এসে ভেজা কাপড় চোপড় পরিবর্তন করে অল্প খেয়েই পড়ার টেবিলে না গিয়ে এসে শুয়ে পড়ল।
এরপর এসে গেল কলেজের গ্রীষ্মের ছুটি। দু’জনেই যার যার বাড়ী চলে গেল। বেশ কিছুদিন হলো তিথি সমুদ্রের ফোন রিসিভ করছে না। এতে সমুদ্রের মনোকষ্ট আরও বেড়ে গেল। কি হল তিথির ? তবে কি সেইদিনের পর থেকে তিথি অন্য কারোর কাছে নিজেকে বিলিয়ে দিলো?
ছুটির পর দু’জনেই কলেজে গেল। কিন্তু দেখা হলেও তিথি , সমুদ্রের সাথে আগের মত তেমন কথা বলছে না।
সমুদ্রও অভিমান করে তিথিকে এড়িয়ে চলতে লাগল।এভাবে বেশ কিছুদিন কেটে গেল। ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে দু’জনেই বাড়ী চলে গেল।অনার্স নিয়ে পাশও করল দু’জনেই। সাগর মাষ্টার্স করতে ভর্তি হল। কিন্তু মাষ্টার্স করার ভর্তির সময় তিথিকে দেখা যাচ্ছে না।তিথির কি কোন অসুখ হয়েছে? ভাবল সমুদ্র । মাষ্টার্স ভর্তির সময় চলে যাচ্ছে ভেবে সমুদ্র , তিথির বাড়ী চলে যায়।
তিথির বাড়ী গিয়ে সমুদ্র যা দেখল তা বিশ্বাস করার মত তো নয়ই,বরং মেনে নিতেও আজ কষ্ট হচ্ছে সমুদ্রের ।
তিথির বাড়ীর ভিতর ও বাহিরে অনেক লোকজন।একজনকে জিজ্ঞাসা করতেই জানতে পারল,আজ তিথির বিয়ে। কথাটা শুনেই বেসামাল সমুদ্রের বেহুঁশ অবস্থা। যাকে নিয়ে তার সারা জীবনের ভাবনা। অনেক বন্ধুর পথ যাকে নিয়ে পাড়ি দিয়ে এসেছে একটা মসৃন পথের আশায়,সে কিনা আজ অন্যের হতে চলেছে?নিজের তৈরী করা মসৃন পথে আজ অন্য একজনের আগমন?
সমুদ্র আরও খোঁজ নিয়ে দেখল, সেদিনের সেই বৃষ্টিতে ভেজা অবস্থায় যার গাড়ীতে তারা উঠেছিল,সেই চালকই আজ হতে চলেছে তিথির সারা জীবনের চালক।সমুদ্রের কষ্ট করে আসা মসৃন পথের সেই আনন্দ ঘন মুহূর্তগুলো কেড়ে নেবে আরেকজন,তা ভাবতেই বুকটা কেঁপে কেঁপে উঠছে।
আকাশে ঘন কালো মেঘ করেছে। কিছুক্ষনের মধ্যেই মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হল। সমুদ্র বৃষ্টিতে ভিজতে লাগল । বৃষ্টির জল যেন সমুদ্রেরই অস্রুধারা। বৃষ্টির শব্দে সমুদ্রের বিরহের জ্বালা তীব্র থেকে তীব্রতর হতে লাগল। বুকটা যেন ভেঙ্গে যাচ্ছে সমুদ্রের ।
কি আর করবে সমুদ্র ,তিথির সাথে দেখা না করেই বিরহের জ্বালা বুকে নিয়ে আস্তে আস্তে আশাহত অবস্থায় নিজের বাড়ীর দিকে রওনা হল।
এভাবেই বিরহের ব্যথা বুকে নিয়ে সমুদ্র জীবন কাটাতে লাগল। কখনও একাকী পার্কে,কখনও সমুদ্র সৈকতে বসে অতীতের স্মৃতিচারণ করে বুকের অতৃপ্ত বাসনা পরিতপ্ত করার চেষ্টা করে সমুদ্র ।বন্ধুর পথ পেরিয়ে মসৃন পথে এসেও সুখের মুখ আর দেখা হল না সমুদ্রের । বিরহের অশ্রুধারায় নিজেকে ভাসিয়ে দিয়ে তিথির ভালোবাসার নাটকের পরিসমাপ্তি ঘটাতে চায় এখন সমুদ্র ।ঐদিন বৃষ্টিতে ভেজার পর থেকে মনের যে পরিবর্তন হয়েছে,তার থেকেই এই বিরহের সূচনা। এই বিরহের দায় তিথি বা সমুদ্র কেউই নিতে চায় না।তাহলে কে এই বিরহের জন্য দায়ী ?
বৃষ্টিকালে সংবেদনশীল মানুষ আবেগে রসসিক্ত হয়ে উঠে।তখন তার মনে পড়ে যায় অতীতের সুখ অথবা দু:খের কথা।হয়ত আপাতত সুখ প্রাধান্য পেয়েছে তিথির হৃদয়ে ।আর সেই সাথে দু:খ নেমে এসেছে সমুদ্রের জীবনে।তিথি ,সমুদ্রের দ্বারা সুখের নাগাল পাবে না ভেবে অন্য আশ্রয়কে আঁকড়ে ধরেছে। অপেক্ষার তর সয় নি তিথির ।কিন্তু কেন? সেদিন বৃষ্টিতে ভিজে তিথির সংবেদনশীল মন প্রেম রসে রসসিক্ত হয়ে পড়ায় তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের পরিবর্তন করে তিথি । যদিও অনেক আগে থেকেই সমুদ্র চোখ ফাঁকি দিয়ে গাড়ির চালক গোপনে সাথীকে প্রলুব্ধ করে আসছিল।নিজেই বিত্তশালী বলে অন্যের অর্থের প্রাচুর্যকে কাজে লাগিয়ে তিথির মন করায়ত্ত করতে সক্ষম হয়েছিল গাড়ির চালক । তাই তিথি কিছু না বুঝেই বিত্তশালী ব্যক্তির সেই প্রাইভেট গাড়ির চালককেই মন দিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু সত্যটা এই , প্রাইভেট গাড়ির চালক শুধুই ড্রাইভার ছিল। ড্রাইভার বিত্তশালী নয়।তিথিকে প্রলুব্ধ করার কথা তিথি বুঝতে পারে নাই।বিয়ের পর যখন তিথি জানতে পারল, তখন তিথির জীবনেও বিরহের জ্বালা উঁকি ঝুঁকি মারতে লাগল।কি আর করবে। বন্ধুর পথ পেরিয়ে সমুদ্র আর তিথি দু’জনেই আজ দুই ডালে বসে বিরহের অশ্রুধারায় ভাসতে লাগল ।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন