নব্বই দশকের প্রেম - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।
আজ আমি তোমাকে একটি চিঠি লিখব।
নব্বই দশকের সেই লাজুক প্রেমিকার মত।
সামনে বিনুনি এলিয়ে,
বাড়ির সবাইকে লুকিয়ে
ঘরের এক কোণে বসে,
দুপুর বেলা দুই পাতার একটি চিঠি।
যেখানে থাকবে হৃদয় নিংড়ানো কিছু কথা ,
সাথে থাকবে চোখের দু’ফোটা জলের দাগ ।
আর থাকবে তোমার চেনা হাতের স্পর্শ।
যে হাত পরম যত্নে লিখবে
তোমার জন্য একটি চিঠি।
আমি নব্বই দশকের সেই প্রেমিকা হতে চাই।
শাড়ির পাড় উঠিয়ে হালকা সেজে দাঁড়াব তোমার সামনে।
হালকা ছুঁয়ে দিতে আমার কপালের সোজা টিপটা ইচ্ছা করেই আরেকটু সোজা করে দেবে তুমি।
আমি লজ্জায় লাল হয়ে চোখ ঘুরিয়ে নেব তোমার চোখের থেকে।
আমাদের হয়ত হাতে হাতে রাখা হবে না।
কিন্তু প্রতিটি লড়াই লড়বো একসাথে।
চোখ দুটো ভরা থাকবে স্বপ্ন দিয়ে।
সুন্দর সোনালী রঙের ভোর দেখব একসাথে।
একই স্বপ্নে বিভোর থাকব আমরা।
ছোট ছোট স্পর্শগুলোতেই চমকে ছিটকে সরে যাবে হয়ত কিছুটা দূরে।
উভয়ের চোখে থাকবে উপচে পরা ভালবাসার ছায়া।
এই চল না, নব্বই দশকের প্রেমিক প্রেমিকা হয়ে যাই।
যেখানে থাকবে সব কিছুর অভাব, কিন্তু ভালবাসার কোন অভাব থাকবে না।
হয়ত তুমি চাকরি পাবে না।
হয়ত বা বেলা বোসের মত অন্য কোথাও বিয়ে ঠিক হবে আমার।
কিন্তু জানত, এই দশকের মত মিথ্যে দিয়ে গড়া হবে না আমাদের ভালবাসা।
হবে একবার,আমার নব্বই দশকের সেই স্বপ্নের প্রেমিক?
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন