ক্যাফেটরিয়া - পার্থ প্রতিম গুহ নিয়োগী।
কথা বলতে বলতে কথা হারিয়ে ফেলছি
কাকে দোষ দেবো? নিজেকে।
প্রতিটা ক্ষয়ের পর আকাশ থেকে নেমে আসে বৃষ্টি বুকের মাঝে।
তখন বলার কিছু থাকে না
বলাগুলো আনমনে চুপিচুপি বকে যায়।
তোকে বৃষ্টি বলে ডেকেছিলাম
ভেতরের সর্পিল সরু রাস্তা ধরে অলিগলি ক্যাফেটরিয়া।
আজকাল ভাবলে হাসি পায়
জানলার কাঁচে আদর আর মুখরোচক শীতল কফি।
আমার ঠোঁটে সিগারেটের পোড়া দাগ
তোর বুক পুড়িয়েছিলাম।
পুড়ে গেছিলাম নিজে আরো একলা হয়ে কোনঠাসা বিড়াল
আর ম্যাও করে লাফ মেরেছিলাম তোর বুকে।
দোষ ,গুণ সব একলা থাক কবিতার পাতা জুড়ে
আবার বৃষ্টি নামুক
আমি ডুবে যাই একই ভাবে তোর কপালের কালো টিপে।
সত্যি বলতে বলতে
মিথ্যা বলার অভ্যাস করাটা কিছুটা অহংকারের মত।
নিজের বুকের ভিতরে অনবরত সম্ভাবনার শুক সারি বসে
ওদেরকে কে কেউ আলাদা করে রাখে না,
আসলে রাখতে চায় না।
তোকে একটা নাম দেব ভাবছি চলন্তিকা
মনের আগুনের কাছে প্রিয় নারীর কোনো পরিচয় দরকার।
দরকার অনর্গল বয়ে চলা মেঘ ,বৃষ্টির খেলার
আজ বিকেলটা ঠিক তোর মত হোক
ক্লান্ত ,অবসন্ন কোন খেই হারানো খেলা।
কথা বলতে বলতে বারংবার কথা হারানো
উপন্যাসের শেষ পাতাটা খোলা পরে আছে টেবিলের উপর।
প্রতিটা যত্নের একটা দাগ থেকে যায় মনের গভীরে
যাকে মুখে বলা যায় না।
কথা ফুরিয়ে যায় নিজের ভিতর অনবরত ক্ষয়ে
সম্ভাবনার মেঘে বাঘবন্দী খেলা।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন